Censusu: জনগণনার কাজে শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে ফের কলকাতা হাই কোর্টের ভর্ৎসনার মুখে কর্তৃপক্ষ। স্কুলের সময়সূচি, কেন্দ্র-রাজ্য আলোচনা নিয়ে কড়া প্রশ্ন তুললেন বিচারপতি কৃষ্ণ রাও। বুধবার ফের শুনানি।
জনগণনার কাজে স্কুল শিক্ষকদের নিয়োগ নিয়ে ফের একবার অসন্তোষ প্রকাশ করল কলকাতা হাই কোর্ট। মঙ্গলবার এই মামলার শুনানিতে কড়া প্রশ্নের মুখে পড়েন জনগণনা কর্তৃপক্ষ।
28
বিচারপতির প্রশ্ন
বিচারপতি কৃষ্ণ রাও সরাসরি জানতে চান, শিক্ষকদের এই কাজে যুক্ত করার সিদ্ধান্ত কেন্দ্র রাজ্যের সঙ্গে আলোচনা করে নিয়েছে কি না। কেন শিক্ষকদের নিয়োগ করা হয়েছে তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন বিচারপতি।
38
পঠনপাঠন নিয়ে প্রশ্ন
জনগণার কাজে গণহারে শিক্ষকদের নিয়োগ নিয়ে আগেও প্রশ্ন তুলেছিল আদালত। সেই সময় আদালতের প্রশ্ন ছিল একসঙ্গে বহু শিক্ষককে নিয়োগ না করে কয়েক জনকে নিযুক্ত করতে পারতো। সেক্ষেত্রে বাকি শিক্ষকরা স্কুল সামলাতে পারতেন। আদালতের প্রশ্ন, স্কুলের নিয়মিত পঠনপাঠন ব্যাহত করে কেন বহু শিক্ষককে একসঙ্গে জনগণনার কাজে নিয়োগ করা হচ্ছে।
এই বিষয়ে বিচারপতির বলেন, 'এই কাজের সময় যিনি নির্ধারণ করেছেন, তাঁকে আজ কোর্টে আসতে বলুন। স্কুলের সময় তা হলে কী হবে? এই ভাবে কাজ হবে?'
78
কেন্দ্রের উদ্দেশ্যে প্রশ্ন
কেন্দ্রের উদ্দেশে বিচারপতি জানান, একটা নোটিস জারি করা হয়েছে। এটা নিয়ে কি রাজ্যের সঙ্গে কোনও আলোচনা করেছে তারা? স্কুলের সময় কী, তারা জানে না?
88
আদালতের পর্যবেক্ষণ
জনগণনায় শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে বিচারপতি বলেন, 'হয় ২০ জন শিক্ষকের মধ্যে ৫ জনকে জনগণনার কাজে যুক্ত করুন, বাকি ১৫ জন স্কুল চালাবেন, নইলে কাজের সময় নির্ধারণ করুন।'আদালতের পর্যবেক্ষণ, শিক্ষক না নিয়ে পুরসভা, পঞ্চায়েত থেকে এবং শিক্ষা কর্মী (নন টিচিং) নিয়োগ করে কাজ করানো হোক। বুধবার এই মামলার ফের শুনানি হবে।