শুক্রবার রাতেই কামালগাছির কাছ থেকে গ্রেফতার তৃণমূলের প্রাক্তন বিধায়ক দিলীপ ঘোষ। সেই ইস্যুতে এবার মুখ খুললেন রাজ্যের মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ। বলেন, ‘’সবে শুরু। আপনি গুনতে থাকুন। ঠগ বাছতে গাঁ উজাড় হয়ে যাবে। দেড় হাজার অপরাধী কে এই মুহূর্তে গ্রেফতার করা উচিৎ। এদের ওপর মানুষের অপরিসীম ক্ষোভ আছে। ওদের আরও বেশি করে গ্রেফতার করা দরকার কারণ নাহলে একটা অঘটন ঘটে যাবে। রাস্তাঘাটে যা হচ্ছে যেভাবে ঘিরে ধরছে মারধর করছে বাই চান্স অঘটন ঘটে যেতে পারে। ওদের জীবনের স্বার্থে ওদের গ্রেফতার করা উচিৎ। কোর্টে মামলা চলুক।''
26
অভিষেকের ডানা ছাঁটার তোড়জোড়
‘’উত্তর প্রদেশে অখিলেশ যাদব বাবাকে সরিয়ে নিজে দলের শীর্ষে এসেছিলেন। এখানে ভোটের আগে সবাই ভেবেছিল এখানেও উত্তর প্রদেশের সিন হবে। তার বদলে এখানে মহারাষ্ট্রের সিন হয়ে গেছে। ক্ষোভটা ছোটবাবুর ওপরে বেশি। সবাই অস্তিত্বের সংকটে ভুগছেন। একটা ছাতা চাই। সবাই অনাথ হয়ে পড়েছেন। কোন ঠাকুরকে ফুল দেবেন বুঝতে পারছেন না। কিন্তু মন্দির ভেঙে পড়েছে। ভগবান কোথায় থাকবেন?''
36
ফিরহাদের বিদায় নিয়ে কী বলললেন দিলীপ ঘোষ
‘’এতদিন মাটিতে বসতেন? নাকি ভরতের মতো খড়ম রেখে পুজো করতেন? ড্রামা মমতা ব্যানার্জির কাছে শিখেছেন। কিছুদিন ড্রামা বন্ধ রাখুন। উনি কি কি ডায়লগ দিয়েছিলেন ভিডিও দেখে নিন। কি মারাত্মক অহংকার। মানুষকে আইনকে ডোন্ট কেয়ার করেছেন। এখন উল্টো মুখে উল্টো কথা। আজ যদি তৃণমূল কংগ্রেস সরকারে আসত তাহলে এইসব লোকের এইসব কথা শুনতাম? নাকি পদত্যাগের এইরকম প্রতিযোগিতা চলত? যারা এতদিন ভোগ করেছেন তারাও অপরাধের সমান ভাগীদার। একা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নন। এদের হাতে পাপ লেগে আছে রক্ত লেগে আছে। সবাইকে একই দৃষ্টিতে দেখতে হবে। অন্যায় যে করে আর অন্যায় যে দেখে তাদের একই মাপকাঠিতে বিচার করতে হবে।''
‘’বলা কঠিন। শুধু কলকাতা নয়। রাজ্যে ১৪০ টা পুরসভা আছে। একই অবস্থা। হাওড়া পুরসভায় ৮ বছর নির্বাচন নেই। এতদিন কি সরকার চলছিল? এদের আগেই চলে যাওয়া উচিৎ ছিল। মানুষ সহ্য করতে না পেরে অবশেষে এদেরকে তাড়িয়েছেন। নভেম্বরের পর থেকে হয়তো নির্বাচন গুলো হতে পারে।''
56
তৃণমূল মানেই OYO রুম?
‘’হাসপাতালে শাড়ির দোকান তৈরি হয়েছিল। স্পা তৈরি হয়েছিল। খাওয়াদাওয়া ফুর্তি করো। কাঁড়ি কাঁড়ি টাকা মদের বোতল আরও কত কি! পুলিশ জানে কিন্তু এখনও অনেক জায়গায় হাত লাগাচ্ছে না। পুলিশের কেন এতো প্রভূভক্তি? প্রভুর বিদায় হয়ে গিয়েছে। এখনও অনেক পুলিশের ভক্তি যাচ্ছে না।''
66
জয়প্রকাশ এর ভীতি
‘’তৃণমূল নেতারা এখন কাঁচা ডিম খাচ্ছেন। সেদ্ধ করার টাইম পাচ্ছেন না। এই ধরনের লোকেরা কি ধরনের মন্তব্য করত ভাবুন। এদের ধারণা ছিল যা ইচ্ছা করব সবাইকে মাড়িয়ে দিয়ে চলে যাবো মানুষ কিছু করতে পারবে না। কিন্তু মানুষ কত সজাগ সেটা মানুষ দেখে নিয়েছেন।''