Bhabanipur: ভবানীপুর নিয়ে মমতার কোর্টে যাওয়াটা 'হতাশার ফল', কটাক্ষ দিলীপের

Published : Jun 17, 2026, 10:30 AM IST
Bhabanipur: ভবানীপুর নিয়ে মমতার কোর্টে যাওয়াটা 'হতাশার ফল', কটাক্ষ দিলীপের

সংক্ষিপ্ত

ভবানীপুরে হারের ফল চ্যালেঞ্জ করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কলকাতা হাইকোর্টে মামলা করাকে 'হতাশা' বলে কটাক্ষ করলেন দিলীপ ঘোষ। তাঁর মতে, এটা তৃণমূলের অন্দরের কোন্দলেরই লক্ষণ। পাশাপাশি তিনি কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে এক সাংসদের অভিযোগের কথাও তুলে ধরেন।

ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রের ফল নিয়ে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কলকাতা হাইকোর্টে মামলা করাকে একহাত নিলেন দিলীপ ঘোষ। বুধবার তিনি বলেন, মমতা এখনও ভোটের ফলাফল মেনে নিতে পারছেন না। তাঁর হাবভাব দেখে মনে হচ্ছে, এখনও যেন নির্বাচন পর্বই চলছে।

মমতার পিটিশন নিয়ে দিলীপের কটাক্ষ

সাংবাদিকদের দিলীপ বলেন, তৃণমূল এখন গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে জর্জরিত, তাই মমতা এই মরিয়া পদক্ষেপ নিয়েছেন। তাঁর কথায়, "যখনই উনি সমস্যায় পড়েন, কোর্টে ছোটেন... আজ ওঁর সবকিছু শেষ হয়ে গিয়েছে। যারা ১৫,০০০-এর বেশি ভোটে হেরেছে, তারা এখন পুনর্গণনা আর পুনর্নির্বাচনের জন্য আবেদন করছে। উনি ভাবছেন এখনও নির্বাচন চলছে, উনি হারেননি।"

প্রসঙ্গত, ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী নন্দীগ্রাম এবং ভবানীপুর, দুটি কেন্দ্র থেকেই লড়েছিলেন এবং দুটোতেই বড় ব্যবধানে জেতেন। পরে তিনি নন্দীগ্রামের বদলে ভবানীপুর আসনটিই ধরে রাখেন।

ভবানীপুরে শুভেন্দু পেয়েছিলেন ৭৩,৯১৭টি ভোট, আর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পান ৫৮,৮১২টি ভোট। অর্থাৎ, ১৫,০০০-এরও বেশি ভোটের ব্যবধানে তৃণমূল নেত্রীকে হারান বিজেপি নেতা।

তৃণমূলের অন্দরের কোন্দল

তৃণমূলের অন্দরের কোন্দল নিয়েও মুখ খোলেন দিলীপ। তিনি দলের সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে বিদ্রোহী সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদারের অভিযোগের প্রসঙ্গ তোলেন। দিলীপের অভিযোগ, কল্যাণের বিরুদ্ধে তাঁর নিজের দলের মধ্যেই অনেক ক্ষোভ রয়েছে, কিন্তু তাঁর বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না।

তিনি দাবি করেন, "কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে তাঁর নিজের দলের বিধায়কদের, যেমন মহুয়া মৈত্র এবং কাকলি ঘোষের, অনেক অভিযোগ রয়েছে, কিন্তু আজ পর্যন্ত কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। এখন ব্যবস্থা নেওয়ার সময় এসেছে।"

সোমবার কাকলি ঘোষ দস্তিদার লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার কাছে একটি চিঠি দিয়ে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে বহিষ্কারের দাবি জানান। তাঁর অভিযোগ, কল্যাণ বারবার মৌখিক অপমান, নারীবিদ্বেষী মন্তব্য এবং সংসদের মধ্যে দুর্ব্যবহার করেছেন। কাকলির অভিযোগ, কল্যাণ বারবার তাঁর এবং অন্য মহিলা সাংসদদের বিরুদ্ধে "আপত্তিকর, অসম্মানজনক এবং অনুচিত ভাষা" ব্যবহার করেছেন। চিঠিতে লেখা হয়েছে, "এই ধরনের আচরণ একজন সাংসদের জন্য অশোভন এবং এটি সংসদের মর্যাদা, শৃঙ্খলা ও বিতর্কের মান ক্ষুণ্ণ করে।"

এর জবাবে মঙ্গলবার কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় সব অভিযোগ অস্বীকার করেন। তিনি কাকলির অভিযোগকে "মিথ্যা, ভিত্তিহীন এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত" বলে উড়িয়ে দেন। কল্যাণ প্রশ্ন তোলেন, তাঁর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের ভিত্তি কী? তিনি দাবি করেন, কাকলিকে তিনি কখনও অপমান করেননি।

তিনি বলেন, “আমি যদি অভ্যাসগত অপরাধীই হই, আমি কি আপনার সঙ্গে কিছু করেছি? আমি কি আপনাকে কখনও অপমান করেছি? আমি প্রায় ৪০ বছর ধরে আইন পেশায় আছি। যে নিজে সংসদে প্রায় আসেই না, সে আমার বিরুদ্ধে কথা বলছে। এটা ওঁর ব্যক্তিগত বিদ্বেষ।”

PREV
Read more Articles on
click me!

Recommended Stories

Kolkata Traffic Update: আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উপলক্ষে ৭দিন বন্ধ কলকাতার এই রাস্তাগুলি, কোন পথে সহজেই পৌঁছবেন গন্তব্যে?
Kunal Ghosh: মমতার বাড়ির সামনে কে ডিম ছুঁড়ে ছিল? CID-র সাক্ষীর দিকে আঙুল কুণালের