
ভোট প্রচারে বিজেপি বারবার বলেছিল ক্ষমতায় এলে রাজ্য়ে স্বচ্ছ নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করবে। নিয়োগ জট পুরোপুরি কেটে যাবে। সুবিধে পাবে বঞ্চিতরা। ক্ষমতায় এসে প্রথম মন্ত্রিসভার বৈঠকের পরই শুভেন্দু অধিকারী বুঝিয়ে দিয়েছেন প্রতিশ্রুতি মাফিকই কাজ করবে তাঁর সরকার। সোমবার নবান্নে মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠকেই সরকারি চাকরিতে নিয়োগের ক্ষেত্রে বয়সের উর্ধ্বসীমা একধাক্কায় ৫ বছর বাড়িয়ে দিয়েছে সরকার।
তৃণমূল কংগ্রেসের জামানায় নিয়োগ প্রক্রিয়া থমকে ছিল, নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতার অভাব ছিল বলে অভিযোগ ছিল বিজেপির। এই নিয়োগ প্রক্রিয়ার জট কাটাতে সরকারি চাকরিতে বয়সের উর্ধ্বসীমা ৫ বছর বাড়িয়ে দিয়েছে বিজেপি সরকার। তৃণমূল আমলে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় দুর্নীতির কারণে রাজ্যের লক্ষ লক্ষ চাকরিপ্রার্থী বয়সের ভারে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষা থেকে ছিটকে গিয়েছিলেন। নতুন সরকার তাদের কথা মাথায় রেখেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলেও সাংবাদিকদের বৈঠকে জানিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। শুভেন্দু স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, স্বচ্ছতার সঙ্গে নিয়োগ তাঁর সরকারের অগ্রাধিকার।
ভোট প্রচারে অমিত শাহ আশ্বাস দিয়েছিলেন যাদের চাকরির বয়স পেরিয়ে গেছে তাদের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বিজেপি সরকার রাজ্যে এসেই প্রথমেই সেই গ্যারেন্টি পুরণ করল। যারা নিয়োগ জটে আটকে রয়েছেন, বা চাকরি পরীক্ষা না হওয়ার জন্য পরীক্ষাই দিতে পারেনি তাদের কাছে এই ৫ বছর রীতিমত গুরুত্বপূর্ণ।
প্রথম মন্ত্রিসভার বৈঠকে দ্রুত কাঁটা তারের বেড়া দেওয়ার জন্য সীমান্তে বিএসএফকে জমি হস্তান্তর করা হবে। সমস্ত জনমুখী প্রকল্প চালু থাকবে। তবে সেগুলি চলবে স্বচ্ছতার সঙ্গে। রাজ্যের আমলাদের কেন্দ্রীয় ট্রেনিং-এ পাঠানো হবে। জনগণনার যে নোটিশ কেন্দ্রীয় রাজ্যকে পাঠিয়েছিল ২০২৫ সালে তা কার্যকর করা হবে। আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পের কাজ চলবে।