রক্তাক্ত হলেন শ্রীরামপুরের সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। সূত্রের খবর, তৃণমূল এবং বিজেপি কর্মীদের বাগবিতণ্ডায় থানার সামনে চরম উত্তেজনা ছড়িয়েছিল। এমনকি তৃণমূল কর্মীদের উদ্দেশ্যে ‘চোর চোর’ স্লোগান দিতে শোনা যায় বিজেপি কর্মীদের।

থানায় স্মারকলিপি জমা দিতে গিয়ে রক্তাক্ত হলেন শ্রীরামপুরের সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। সূত্রের খবর, তৃণমূল এবং বিজেপি কর্মীদের বাগবিতণ্ডায় থানার সামনে চরম উত্তেজনা ছড়িয়েছিল। এমনকি তৃণমূল কর্মীদের উদ্দেশ্যে ‘চোর চোর’ স্লোগান দিতে শোনা যায় বিজেপি কর্মীদের। আর সেখানেই রক্তাক্ত হয়েছেন তৃণমূল সাংসদ। একবারে রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে লুটিয়ে পড়েছেন তিনি, এমনটাই খবর।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

চণ্ডীতলা থানায় ডেপুটেশন দেওয়ার কথা ছিল তৃণমূলের। তার আগেই ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায় থানার সামনে। অশান্তি এড়াতে মোতায়েন করা হয়েছে বিশাল পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী। পরপর দু’দিন জনরোষের মুখে পড়ে আক্রান্ত দুই তৃণমূল সাংসদ। শনিবার সোনারপুরে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরে নজিরবিহীন মারধর, ডিম ছোড়া থেকে শুরু করে জামার কলার ধরে হামলার পর রবিবার প্রায় একই ঘটনা হুগলির চণ্ডীতলায়।

জনতার ছোঁড়া ঢিলে মাথায় আঘাত পেয়ে তিনি রাস্তায় পড়ে যান। সাংসদকে ঘিরে থাকা তৃণমূল কর্মীরা দ্রুত শুশ্রূষা করেন। কিছুটা সুস্থ বোধ করার পর কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় চণ্ডীতলা থানার সামনে অবস্থান বিক্ষোভে বসেন। কারা মারল? কেন গ্রেপ্তার করা হল না তাদের? পুলিশকে পালটা এসব প্রশ্ন করেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়।

তৃণমূল এই ঘটনার নেপথ্যে বিজেপিকেই কাঠগড়ায় তুলছে। কারণ, সাম্প্রতিক সময়ে দলের একাধিক নেতা কর্মীদেরকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আর তারই প্রতিবাদ জানাতে চন্ডীতলা থানায় স্মারকলিপি জমা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল দলের তরফ থেকে। তার নেতৃত্ব দিয়েছিলেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানেই তাঁর উপর এরকম হামলা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তৃণমূল কর্মী সমর্থকদেরকে লক্ষ্য করে বিজেপি কর্মীরা স্লোগান দেন এবং দুই পক্ষের ধস্তাধস্তি শুরু হয়। এমতাবস্থায় পুলিশ ও কেন্দ্র বাহিনী হস্তক্ষেপ করে পরিস্থিতির নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে।