
Kolkata News: মধ্যযুগীয় বর্বরতা খাস কলকাতা শহরে বেহালার সরশুনায়! মেয়ের সঙ্গে প্রেম করার অপরাধে ছেলে ও তার বাবাকে বেধড়ক মার! তারপর বাবা ও ছেলেকে নগ্ন করে ঘোরানো হলো রাস্তায়! বন্ধুকে হাতে দিয়ে বাবাকে বলা হলো ছেলেকে গুলি করতে! কোথায় পুলিশ, প্রশাসন! সব জানতে পেরে ক্ষিপ্ত এলাকার মানুষ পেটালো ছেলের মামাকে! পলাতক বাবা! পুলিশ এসে ধরে নিয়ে গেলো মামাকে! কিন্তু প্রশ্ন উঠছে, এতক্ষন ধরে ঘটনা ঘটলো অথচ পুলিশের দেখা মেলেনি কেন!
মধ্যযুগীয় বর্বরতার সাক্ষী থাকল শহর কলকাতা। বর্বরতার ভয়ঙ্কর ছবি দেখা গেল সরশুনা থানা এলাকার বসুন্ধরা পার্কে। সেখানে এক যুগলের সম্পর্ককে কেন্দ্র করেই যা হল, তাতে লজ্জায় মাথা হেঁট হয়ে গেল সবার।
ঘটনার সূত্রপাত এক যুবক-যুবতীকে ঘিরেই। দু’জনে প্রেম করত। তবে যুবতীর বাড়ির লোকের আপত্তি ছিল। গতকাল, ২৫ অক্টোবর ওই যুবক-যুবতী যখন বসেছিল, তাদের ঘনিষ্ঠ অবস্থায় হাতেনাতে ধরে ফেলে। তারপরেই যুবককে ও তাঁর এক বন্ধুকে ঘরের মধ্যে আটকে রেখে বেধড়ক মারধর করে যুবতীর বাবা এবং মামা।
তারপর যুবকের বাবাকে ফোন করে ডাকে মেয়ের বাবা। তারপর তিনজনকে অর্থাৎ ছেলে, ছেলের বন্ধু এবং ছেলের বাবাকে উলঙ্গ করে এলাকায় ঘোরায়। এমনকী, বন্দুক দেখিয়ে ভয় দেখানো হয়। বাবাকে বলা হয়, ছেলেকে গুলি করতে। সাধারণ মানুষ দেখতে পেয়ে অবাক ওঠে , তাদেরকে জিজ্ঞাসা করলে পুরো ঘটনা এলাকার মানুষজনকে জানায় যুবকের পরিবার ও বন্ধু।
অন্যদিকে, উৎসবের মরশুমের মাঝেই ট্রেনে করে আগ্নেয়াস্ত্র পাচারের ছক! হাতবদলের আগেই এনজেপি স্টেশনে যৌথ অভিযানে গ্রেফতার বিহারের দুই যুবক।ধৃতদের নাম রোহন কুমার (২০) ও গুড্ডু কুমার (১৯)। দুজনেই বিহারের খাগারিয়া এলাকার বাসিন্দা।জানা গিয়েছে,রবিবার রাতে গোপন সূত্রে খবর পেয়ে এনজেপি স্টেশনে যৌথ অভিযান চালায় শিলিগুড়ি জিআরপির স্পেশাল অপারেশন গ্রুপ (এসওজি) এবং এনজেপি জিআরপির সাদা পোশাকের পুলিশ। সেই সময় স্টেশনের ৬নম্বর প্ল্যাটফর্মে ডাউন বিবেক এক্সপ্রেস এসে পৌঁছলে ট্রেনটির সাধারণ কামরায় তল্লাশি চালানো হয়।সেখান থেকেই সন্দেহের ভিত্তিতে ওই দুই যুবককে আটক করেন পুলিশকর্মীরা।এরপর তাদের সঙ্গে থাকা স্কুল ব্যাগে তল্লাশি চালিয়ে উদ্ধার হয় আগ্নেয়াস্ত্র।
এর পরেই দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।এনজেপি জিআরপি সূত্রে জানা গিয়েছে,ধৃতরা আলিপুরদুয়ার থেকে ট্রেনে করে এনজেপি স্টেশনে এসেছিল।সেখান থেকে বিবেক এক্সপ্রেসে চেপে কিষানগঞ্জ যাওয়ার পরিকল্পনা ছিল তাদের।এরপর আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে কিষানগঞ্জ থেকে ফের ট্রেনে করে বিহারের খাগারিয়ায় পৌঁছনোর কথা ছিল বলে প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে।উদ্ধার হওয়া আগ্নেয়াস্ত্র বিক্রির উদ্দেশ্যে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল বলে পুলিশের প্রাথমিক অনুমান।সোমবার ধৃতদের জলপাইগুড়ি আদালতে পেশ করা হয়।এই ঘটনার পিছনে কোনও বড় পাচারচক্র রয়েছে কি না,তা খতিয়ে দেখতে ধৃতদের হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের আবেদন জানিয়েছে জিআরপি।আগ্নেয়াস্ত্র পাচারের সঙ্গে আরও কারা জড়িত,তা জানতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
আরও খবরের জন্য চোখ রাখুন এশিয়ানেট নিউজ বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।