বিধানসভা ভোটে পরাজিত হতেই দুই শিবিরে বিভক্ত তৃণমূল। দলের প্রতীক নিয়ে যখন মারামারি চলছে তখন তারই মধ্যে বেইমান গদ্দার ইস্যুতে ফুঁসে উঠলেন তৃণমূলের বিদ্রোহাী প্রাক্তন বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, ‘’রোজ বেইমান-গদ্দার বলা হচ্ছে। তবে যত দিন যাবে বেইমান, গদ্দার আরও বলা বাড়বে। আরও অনেককে বলা হবে।
25
দিদির এখন অখন্ড অবসর, তোপ ঋতব্রতের
এদিন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ঋতব্রত আরও বলেন যে, ‘’সম্প্রতি ম্যানেজিং ডিরেক্টর পদে উন্নীত হওয়া এক ব্যক্তি যিনি আমাকে বেইমান বলছেন। তিনি সাংসদ হয়েছিলেন। যিনি সেই অবস্থায় জেলে যান। তার ৯১ পাতার একটা চিঠি পড়েছি। প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সহ প্রাণসখাকে পাঠানো হয়। এটাকেই যেন শেষ বয়ান হিসাবে ধরা হয় সেটাই বলেছিলেন।''
35
ঋতব্রতের নিশানায় কে?
‘’তিনি দলকে চাঁদা দেন, কিন্তু আবার দুর্নীতি নিয়ে চিঠি দেন সিবিআইয়ের ডিরেক্টর কাছে। তাহলে বলতে হয়, দলের সাংসদ দলের বিরুদ্ধে কি বেইমানি করেছিলেন? রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিয়ে সব থেকে বেশি লেখা আছে। দিদির এখন অখন্ড অবসর। বর্তমান ম্যানেজিং ডিরেক্টর থেকে সেই চিঠি নিন দিদি।''
এই বিষয়ে তিনি আরও বলেন, ‘’দল তুলে দেওয়ার সলতে কে পাকিয়েছিল, সেটা দেখুন। আপনি চিঠি চেয়ে নিন ওনার থেকে। নাহলে ১৫ দিন পরে পাঠিয়ে দেব ক্যুরিয়ার করে আপনার কাছে। চিঠিতে লেখা আছে চিটফান্ডের টাকায় চলেন মুখ্যমন্ত্রী।''
55
ঋতব্রতের চিঠি হুঁশিয়ারি
‘’এক প্রাণসখা আর দুই একজনের কাছে এই চিঠি ছিল। দলকে চাঁদা দেওয়া আর একই সঙ্গে দলের দূর্নীতির বিরুদ্ধে তিনি কাজ চালিয়েছেন। তদন্তকারী সংস্থা এবার সেই চিঠি দেখুক। তদন্ত করুন। বেইমানির সলতে কিভাবে পাকিয়েছিলেন সেটা দেখুন। রোমহষর্ক চিঠি। উদ্বৃত্ত ৩০ কোটি টাকা কোথায় যাবে, সেটাও বলা আছে চিঠিতে।''