Lakshmir Bhandar: বিধানসভা ভোটের আগে বন্ধ করা হবে কয়েক হাজার লক্ষ্মীর ভাণ্ডার অ্যাকাউন্ট?

Published : Jan 21, 2026, 11:29 AM IST

দোড়গোড়ায় বিধানসভা নির্বাচন ২০২৬। তার আগেই নাকি কয়েক হাজার মহিলার লক্ষ্মীর ভান্ডার অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে দেওয়া হবে। ইতিমধ্যেই মিলছে সেরকম খবর। কেন এই পরিস্থিতি? তালিকায় রয়েছে কাদের নাম? জেনে নিন বিস্তারিত।

PREV
17

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজ্যের সাধারণ মানুষ এবং মহিলাদের আর্থিক উন্নতির জন্য একাধিক জনকল্যাণমূলক প্রকল্প চালু করেছেন। রাজ্যের সর্বাধিক জনপ্রিয় প্রকল্পের মধ্যে অন্যতম লক্ষ্মীর ভাণ্ডার (Lakshmir Bhandar)। বিধানসভা ভোটের আগে রাজ্যে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার নিয়ে চর্চা তুঙ্গে।

27

বর্তমানে লক্ষ্মীর ভান্ডার প্রকল্পের অধীনে সাধারণ শ্রেণীর মহিলারা প্রতি মাসে ১ হাজার টাকা এবং তপশিলি জাতি এবং তপশিলি উপজাতির শ্রেণীর মহিলারা প্রতি মাসে বারোশো টাকা করে আর্থিক সহায়তা পান।

37

এই প্রকল্পের আওতায় তপশিলি জাতি ও উপজাতি সম্প্রদায়ের মহিলারা মাসে ১২০০ এবং সাধারণ সম্প্রদায় অর্থাৎ জেনারেল ক্যাটাগরির মহিলারা ১০০০ টাকা করে পান। প্রতি মাসেই প্রথমের দিকে উপভোক্তাদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে টাকা জমা পড়ে যায়। এবারেও তার ব্যতিক্রম হয়নি।

47

এদিকে, প্রায়শই শোনা যাচ্ছে যে, বিজেপি ক্ষমতায় এলে ‘লক্ষ্মীর ভাণ্ডার’ বন্ধ করে দেওয়া হবে। এমনকি এই লাইন বিধানসভা ভোটের প্রচারে তৃণমূলের তুরুপের তাস হয়ে উঠেছে! তবে তার আগে খারাপ খবর রাজ্যের মহিলাদের জন্য।

57

বিজেপির দখলে থাকা ময়না বিধানসভার অন্তর্গত বাগচা গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার মহিলারা একদমই পাচ্ছেন না লক্ষ্মীর ভান্ডারের টাকা। বিগত ৬ মাস ধরে প্রায় ৭ হাজার ২০০ মহিলা লক্ষ্মীর ভাণ্ডার পাচ্ছেন না বলে জানা গিয়েছে৷ তাঁদের অভিযোগ, বিজেপির সদস্য হওয়ার জন্যই সরকারি প্রকল্প বঞ্চিত হতে হচ্ছে।

67

যদিও এই নিয়ে একাধিক বার জেলা শাসকের কাছে স্মারকলিপি দেওয়া হয়েছে৷ কিন্তু তাতেও কাজের কাজ কিছুই হয়নি। জেলাশাসক একাধিকবার আশ্বাস দিলেও জানুয়ারি মাস প্রায় শেষ হতে চলল কিন্তু এখনো ঢোকেনি টাকা। তাই এবার হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন পঞ্চায়েত সমিতির এক সদস্য।

77

কী বলছেন মামলাকারী?

দায়ের করা জনস্বার্থ মামলা প্রসঙ্গে মামলাকারী সুনীতা মণ্ডল সাহুর দাবি, রাজ্যের সর্বত্র মহিলারা লক্ষীর ভাণ্ডার পাচ্ছেন । কিন্তু যেহেতু বাগচা গ্রাম পঞ্চায়েত ও গোজিনা গ্রাম পঞ্চায়েত বিজেপির দখলে তাই সেখানকার মহিলা নাগরিকরা পাচ্ছে না কোনো সরকারি প্রকল্পের টাকা। আর এই দ্বিচারিতার কারণে কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল ও বিচারপতি পার্থ সারথি সেনের এজলাসে মামলা করা হয়।

Read more Photos on
click me!

Recommended Stories