TMC Crisis: ঘাসফুলে ঘরভাঙন! তৃণমূলী রাজনীতির ময়দানে এবার মুখোমুখি স্বামী সুদীপ-স্ত্রী নয়না

Published : Jun 18, 2026, 05:46 PM IST
tmc vs tmc firhad hakim joins rebel camp   nayna bandyopadhyay stays with kalighat faction

সংক্ষিপ্ত

TMC vs TMC: তৃণমূল কংগ্রেসের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব আরও প্রকট হয়েছে বলে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। বিধানসভায় ফিরহাদ হাকিম বিদ্রোহী শিবিরের পাশে দাঁড়িয়েছেন বলে দাবি উঠছে, অন্যদিকে নয়না বন্দ্যোপাধ্যায় কালীঘাট-ঘনিষ্ঠ শিবিরেই রয়েছেন। 

+স্বামী বিদ্রোহী তৃণমূলের খাতায় নাম লেখালেও সে পথে হাঁটালেন না স্ত্রী নয়না বন্দ্যোপাধ্য়ায়। যদিও স্বামী সুদীপ বন্দ্য়োপাধ্য়ায় তৃণমূল থেকে বেরিয়ে গিয়ে ন্যাশানাল সিটিজেন পার্টির অংশ হওয়ার পর থেকেই তৃণমূল কংগ্রেসের একটি অংশ ক্রমাগত আক্রমণ করে গিয়েছিলেন নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়কে। 'ভ্রাম্যমান বিউটি পার্লার' থেকে 'প্রিয় বৌদিমনি' এমন কটাক্ষ শুনতে হয়েছিল। তিনি কোন শিবিরে রয়েছেন তা জানতেও চেয়েছিল অনেকে। কিন্তু সেই পথে হেটে পাল্টা সরাসরি কোনও উত্তর দেননি নয়না। এদিন , বৃহস্পতিবার বিধানসভায় নিজের অবস্থান স্পষ্ট করলেন নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি এদিন কালীঘাটপন্থীদের বেঞ্চেই বসেন। যদিও তেমনভাবে কথা বলেননি কারোর সঙ্গে। অন্যদিকে আলোচ্য আরও এক ব্যক্তি ফিরহাদ হাকিম তিনি অবস্য বসবেন বিদ্রোহী ঋতব্রত-পন্থীদের বেঞ্চেই।

তৃণমূল বনাম তৃণমূল

বিধানসভায় কার্যত তৃণমূল কংগ্রেস দুইভাগে ভাগ হয়ে গেছে। একদিকে ঋতব্রতপন্থীরা অন্যদিকে কালীঘাটপন্থীরা। বিদ্রোহী ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্য়ায় ও সন্দীপন সাহাদের দিকে রয়েছেন তৃণমূলের ৩৮ জন বিধায়ক। আর উল্টোদিকে অর্থাৎ কালীঘাটপন্থী বা মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের অনুগতদের দিকে রয়েছেন তৃণমূলেরই ১৪জন বিধায়ক। দুই শিবিরই বিধানসভায় নিজেদের মধ্যে কিছুটা দূরত্ব বজায় রেখেছিলেন।

তৃণমূলের বিধায়ক সংখ্যা ৮০ জন।

কোন শিবিরে কে?

বৃহস্পতিবার বিধানসভার বিদ্রোহী শিবিরে বসতে দেখা যায় ফিরহাদ হাকিম, ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্য়ায়, সন্দীপন সাহাদের। পাল্টা কালীঘাট পন্থী শিবিরে বসতে দেখা যায় শোভনদেব চট্টোপাধ্য়ায়, মদন মিত্র, কুণাল ঘোষ, রুকবানুর রহমান, আলিফা আহমেদ, নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়দের।

বিধায়কদের দলে ভাঙনের কারণ

এ বারের বিধানসভা ভোটে ৮০টি আসনে জয় পেয়েছে তৃণমূল। সেই হিসাবে তারাই রাজ্যের প্রধান বিরোধী দল। দলের চেয়ারপার্সন হিসাবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিরোধী দলনেতা হিসাবে নির্বাচিত করেছিলেন শোভনদেবকে। সে কথা স্পিকারকে জানিয়ে গত ৯ মে একটি চিঠি দেওয়া হয় তৃণমূলের তরফে। অভিযোগ, তার ভিত্তিতে বিধানসভার স্পিকার কোনও পদক্ষেপই করেননি। অন্য দিকে, ঋতব্রতদের তরফে বিধায়কদের সই জাল করার অভিযোগ তোলা হয়। দলীয় সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে গিয়ে ৫৮ জন বিধায়কের সমর্থন নিয়ে বিধানসভার বিরোধী দলনেতা হন ঋতব্রত। তার আগেই ‘দলবিরোধী কাজের’ অভিযোগে ১ জুন তৃণমূল নেতৃত্ব ঋতব্রতকে দল থেকে বহিষ্কার করার সিদ্ধান্ত নেন। এই ঘটনার পরেই ঋতব্রতকে বিরোধী দলনেতা করার ব্যাপারে স্পিকারের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে আদালতের দ্বারস্থ হন শোভোনদেব চট্টোপাধ্যায়। বুধবারের পরে বৃহস্পতিবার মামলার শুনানি হয়। কিন্তু কোনও অন্তর্বর্তী নির্দেশ দেয়নি কলকাতা হাইকোর্ট। পরবর্তী শুনানি ২৮ জুলাই। সেইপর্যন্ত ঋতব্রতই বিরোধী দলনেতা থাকছেন। ঋতব্রতর দাবি তাদের বিধায়ক সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৬৫। তারাই আসল তৃণমূল কংগ্রেস।

 

PREV
Read more Articles on
click me!

Recommended Stories

Cal HC On Yoga Day: যোগ দিবসের জন্য ৭ দিন রেড রোড বন্ধ! যাতায়াত স্বাভাবিক রাখতে রাজ্য ও সিপিকে কড়া নির্দেশ আদালতের
WBJEE Results 2026: ২৫ দিনের মধ্যেই জয়েন্টের ফলপ্রকাশ, মেধা তালিকায় শীর্ষ কলকাতার শাশ্বত