রাজ্যে সরকার বদল হতেই বেড়েছে প্রত্যাশা। বকেয়া ডিএ কবে মিলবে তা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে আশায় ছিলেন রাজ্য সরকারি কর্মচারীরা। বাংলায় পালা বদল হতেই সেই আশা বেড়েছে আরও দ্বিগুণ। রাজ্য মন্ত্রিসভার দ্বিতীয় বৈঠকে ডিএ নিয়ে কিছু আলোচনা হয় কীনা সেই নজর ছিলো সকলেরই। যদিও ডিএ নিয়ে আলোচনা না হলেও সপ্তম বেতন কমিশনে সিলমোহর দিয়েছে রাজ্য সরকার।
25
নবান্নে ডিএ বৈঠক
এদিকে সূত্র মারফত খবরে জানা গিয়েছে যে, সরকারি কর্মীদের প্রাপ্য ডিএ নিয়ে আগামী ৩০ মে শনিবার নবান্নে বৈঠক করতে পারেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। ওই দিনই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। যদিও এর আগে গত ১৮ মে, রাজ্য মন্ত্রিসভার নারী ও সমাজ কল্যাণ দফতরের মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পালকে ডিএ নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি জানান যে, সেদিন ডিএ নিয়ে কোনও আলোচনা হয়নি। তবে অবশ্যই আলোচনা হবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন রাজ্যের মন্ত্রী।
35
ডিএ নিয়ে কী বলছেন রাজ্য সরকারি কর্মচারীরা?
আসন্ন ৩০ব মে-র বৈঠক নিয়ে এই বিষয়ে রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের সংগঠন কনফেডারেশন অফ স্টেট গভর্নমেন্ট এমপ্লয়িজের সাধারণ সম্পাদক মলয় মুখোপাধ্যায় বলেন যে, ‘’৩০ মে মুখ্যমন্ত্রী ডিএ নিয়ে বৈঠকে বসবেন। আমাদের সংগঠনের নাম, ফোন নম্বর, ইমেল আইডি চেয়ে পাঠিয়ে ছিলেন। আরও যে দুটি সংগঠন ছিলো তারাও সেটা পাঠিয়ে দিয়েছে।''
কেন্দ্রীয় হারে ডিএ-র দাবিতে পূর্বতন সরকারের আমল থেকে চলছে আন্দোলন, অনশন ও বিক্ষোভ। তারপরও ডিএ বাড়াতে কোনও পদক্ষেপ করেনি প্রাক্তন সরকার। এই পরিস্থিতিতে নতুন বিজেপি সরকারের সপ্তম বেতন কমিশনে সিলমোহর এবং ডিএ নিয়ে আলোচনায় বসার সিদ্ধান্ত হকের ভাতা নিয়ে আশা জাগাচ্ছে সরকারি কর্মীদের মনে।
55
তৎকালীন সরকারের বিতর্কিত মন্তব্য
ডিএ নিয়ে পূর্বতন সরকারের সময়ে কম জলঘোলা হয়নি। সেই সময় তৃণমূল সরকারের মুখ্যমন্ত্রী ডিএ নিয়ে রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের ‘ঘেউ ঘেউ’ না করার কথা বলে মন্তব্য করেছিলেন। সরকারি কর্মচারীদের এভাবে কুকুরের সঙ্গে তুলনা করা নিয়ে কম তরজা হয়নি। তারপর পালাবদল। ক্ষমতা হস্তান্তর হতেই আবার নতুন করে ডিএ নিয়ে স্বপ্ন দেখছেন সরকারি কর্মচারীরা।