Ebola Virus Update: দক্ষিণ আফ্রিকা মহাদেশের বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে পড়া ইবোলা ভাইরাস নিয়ে ক্রমশ আতঙ্ক ছড়াচ্ছে ভারতেও। কোভিড মহামারীর কথা স্মরণ করে ইবোলা থেকে বাঁচতে আগাম সতর্কতামূলক একগুচ্ছ পদক্ষেপ কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের। আরও বিস্তারিত জানতে পড়ুন সম্পূর্ণ প্রতিবেদন…

Ebola Virus Update: ভারতে ক্রমশ বাড়ছে ইবোলা ভাইরাস উদ্বেগ! এই ভাইরাসের সংক্রমণের কারণে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ইতিমধ্যে এটিকে 'গ্লোবাল হেলথ ইমার্জেন্সি' বলে উল্লেখ করেছে। ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গো (DRC) এবং উগান্ডাসহ আফ্রিকার বেশ কিছু দেশে ইবোলা ভাইরাসের একটি নতুন এবং মারাত্মক রূপ (বান্ডিবুজিও স্ট্রেন) ছড়িয়ে পড়ায় বিশ্বজুড়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) এই পরিস্থিতিকে ইতিমধ্যে ‘আন্তর্জাতিক উদ্বেগের ’Public health emergency' হিসেবে ঘোষণা করেছে। এই পরিস্থিতিতে ভারতেও কড়া সতর্কবার্তা জারি করেছে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক এবং ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অব মেডিকেল রিসার্চ (ICMR)-এর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বর্তমানে ভারতে কোনও ইবোলা আক্রান্ত রোগীর সন্ধান মেলেনি এবং সাধারণ মানুষের আতঙ্কিত হওয়ার কোনও কারণ নেই। তবে আগাম সতর্কতা হিসেবে দেশের সমস্ত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এবং বন্দরে নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।

বিমানবন্দরগুলিতে জারি ভ্রমণ সংক্রান্ত নির্দেশিকা:-

দিল্লি (IGI), হায়দরাবাদসহ দেশের প্রধান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরগুলিতে বিদেশ থেকে আসা বিশেষ করে আফ্রিকা ফেরত যাত্রীদের ওপর কড়া নজর রাখা হচ্ছে।

বাধ্যতামূলক স্ক্রিনিং: কঙ্গো, উগান্ডা বা দক্ষিণ সুদান থেকে আসা বা ওই সমস্ত দেশ হয়ে ভারতে প্রবেশ করা যাত্রীদের কঠোর স্বাস্থ্য পরীক্ষা বা থার্মাল স্ক্রিনিংয়ের মধ্য দিয়ে যেতে হচ্ছে।

স্বেচ্ছায় তথ্য প্রদান: অভিবাসন (Immigration) ছাড়পত্র পাওয়ার আগেই যাত্রীদের তাদের শারীরিক অবস্থা এবং তারা কোনও আক্রান্ত ব্যক্তির সংস্পর্শে এসেছিলেন কি না, তা স্বাস্থ্য কর্তাদের কাছে স্পষ্ট করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

লক্ষণ দেখা দিলে আইসোলেশন: বিমানবন্দর বা বন্দরে নামার পর কারও শরীরে ইবোলার প্রাথমিক লক্ষণ দেখা দিলে তাকে দ্রুত কোয়ারেন্টাইনে পাঠানো এবং বিশেষায়িত ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

ইবোলা ভাইরাসের লক্ষণ এবং সংক্রমণ:-

বিশেষজ্ঞদের মতে, ইবোলা একটি জুনোটিক (প্রাণী থেকে মানুষে ছড়ানো) রোগ, যা মূলত আক্রান্ত মানুষ বা প্রাণীর শরীরের তরল পদার্থ (রক্ত, লালা, ঘাম, বমি বা মূত্র) এর প্রত্যক্ষ সংস্পর্শে ছড়ায়। এটি কোভিড-১৯-এর মতো বায়ুবাহিত নয়, তাই এর মহামারি হওয়ার ঝুঁকি কম।

প্রধান লক্ষণ-

তীব্র জ্বর, প্রচণ্ড শারীরিক দুর্বলতা, পেশির ব্যথা, মাথাব্যথা এবং গলা ব্যথা। রোগটি মারাত্মক রূপ নিলে বমি, ডায়রিয়া, চামড়ায় র‍্যাশ এবং শরীরের ভেতরে ও বাইরে রক্তপাত (Hemorrhage) শুরু হতে পারে।

Scroll to load tweet…

আরও খবরের জন্য চোখ রাখুন এশিয়ানেট নিউজ বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।