WB Durga Puja: বাংলার শ্রেষ্ঠ উৎসব মানেই শারদোৎসব। প্রতিবছরই দুর্গাপুজো উপলক্ষে রাজ্যের ক্লাবগুলিতে ব্যাপক টাকা অনুদান দিতেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। গত বছরও সেই অনুদানের পরিমাণ বেড়ে দাঁড়িয়েছিল লক্ষাধিক টাকার বেশি। রাজ্যের বড় বড় ক্লাবগুলি থেকে শুরু করে জেলার সেরা পুজো কমিটিগুলি যাতে আরও ভালো করে পুজো করতে পারে সেই উপলক্ষে এই অনুদান দেওয়া হতো। কিন্তু বঙ্গে ৪ মের পর ঘটেছে পালাবদল। ক্ষমতা হস্তান্তর হতেই সবার মনে একটাই প্রশ্ন এবারে কী মিলবে পুজোয় অনুদান? কীভাবে হবে দুর্গাপুজো?
বিজেপি সূত্রে খবর, প্রতিবারের মতোই জাঁকজমকপূর্ণ করেই হবে বাংলায় দুর্গাপুজো। তবে এবার আর কোনও ক্লাবকে অনুদান দেওয়া হবে না বলে সূত্র মারফত খবরে কানাঘুঁষো শোনা যাচ্ছে। সূত্রের খবর, ক্লাবগুলোকে অকারনে দূর্গাপুজো অনুদান আর নয়। রাজ্য বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্বের তরফে এমনই সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। বিজেপি সূত্রে খবর, পূর্বতন সরকারের আমলে যে পরিমাণ অর্থ ক্লাবগুলিকে দান করা হতো সেই পরিমাণ টাকা অন্য কাজে লাগালে বাংলার আরও উন্নতি হতো। আর সেই উপলক্ষেই এবার আসন্ন দুর্গাপুজোয় বন্ধ হতে চলেছে কলকাতা সহ রাজ্যের বিভিন্ন পুজো কমিটিগুলিকে অনুদান দেওয়া।
বদলের বাংলায় দুর্গাপুজোতেও বদল! বিজেপি সূত্রে খবর, বাংলায় যেভাবে বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব দুর্গাপুজো হয়ে আসছে চলতি বছর অর্থাৎ ২০২৬ সালেও সেই একইভাবে হবে দুর্গাপুজো। তবে এবারের পুজোয় বাংলায় থাকতে পারেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। কারণ, বাংলায় বিজেপি শাসন প্রতিষ্ঠা হওয়ার পর এটাই মোদীর প্রথম দুর্গাপুজো। সেই কারণে, রাজ্য বিজেপির তরফে আগাম প্রস্তুতি সেরে ফেলা হচ্ছে। সূত্রের খবর, প্রধানমন্ত্রী সহ একাধিক নেতা এবার পুজোতে বঙ্গে থাকবেন।
এবার পুজোতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ,অমিত শাহ এবং রাজনাথ সিং থাকবেন কলকাতাতে। একই সঙ্গে পুজোয় আমন্ত্রণ জানানো হবে বিজেপি নেতা আর কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের।প্রধানমন্ত্রীকে সামনে রেখে এবারের শারদোৎসবকে আন্তর্জাতিক রূপ দিতে চাইছে বিজেপি। এমনকি দুর্গাপুজোর অষ্টমীর অঞ্জলি যাতে প্রধানমন্ত্রী কলকাতায় দেয়, তারও প্রস্তুতি শুরু করছে বিজেপি। এমন সব প্রস্তাব দিল্লিতে দলের কাছে এবং প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের পাঠানো হয়েছে। অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে দল। রাজ্য বিজেপির ইচ্ছা , প্রধানমন্ত্রী, অমিত শাহ, রাজনাথ সিং সহ কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের সামনে রেখে গোটা দেশ এবং বিদেশে প্রচার চাইছে বিজেপি। সূত্রের খবর, তবে কোনও পুজো কমিটিকে কোন সরকারি অর্থ দেওয়া হবে না। এই ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়ে নিয়েছে বিজেপি নেতৃত্ব।