পুরভোট ও লোকসভা নির্বাচনের আগে সীমান্ত জেলাকে নিজেদের দখলে আনতে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী থেকে শুরু করে বিজেপি ও সিপিএমকে একযোগে তুলনা করলেন রাজ্য নগর উন্নয়ন ও পুর দপ্তরের মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য।
টার্গেটে অধীররঞ্জন চৌধুরি (Adhir Choudhuri)। পাখির চোখ মুর্শিদাবাদ (Murshidabad)। পুরভোট (Municipality Election) ও লোকসভা নির্বাচনের (Loksabha Election) আগে সীমান্ত জেলাকে নিজেদের দখলে আনতে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী থেকে শুরু করে বিজেপি ও সিপিএমকে একযোগে তুলনা করলেন রাজ্য নগর উন্নয়ন ও পুর দপ্তরের মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য(Chandrima Bhattacharya)। শুরুতেই আক্রমণ শানিয়ে অধীরকে লক্ষ্য করে চন্দ্রিমা বলেন, এখানকার কংগ্রেস মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ভয় পেয়েছে। সেই কারনেই বিজেপির সঙ্গে গোপন আঁতাত তৈরি করেছে তারা।
এদিনের সভায় উপস্থিত ছিলেন ডোমকল, বহরমপুর, কান্দি, বেলডাঙা, জিয়াগঞ্জ-আজিমগঞ্জ, মুর্শিদাবাদ পুরসভার নেতা ও কর্মীরা। তাদের লক্ষ্য করে মন্ত্রী বলেন, কংগ্রেস ও সিপিএম বিজেপিকে শক্তিশালী করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বহরমপুর বিধানসভা কেন্দ্রটি কংগ্রেস বিজেপিকে তুলে দিয়েছে। বিভেদকামী শক্তির সঙ্গে ওদের সমঝোতা হয়েছে।
চন্দ্রিমা আরও বলেন, "পুরসভাগুলিতে উন্নয়নমূলক কাজ অনেক হয়েছে। যেগুলি বাকি রয়েছে, সেগুলিও দ্রুত করা হবে। শুধু ভোট আছে বলে আমরা এমনটা করছি না। উন্নয়নমূলক কাজের জন্যই আমরা মুর্শিদাবাদের সমস্ত পুরসভায় জিতব। এদিনের সভায় যোগ দিয়ে রাজ্যের মন্ত্রী তথা দলের নেত্রী সাবিনা ইয়াসমিন নেতাদের সতর্ক করেন। তিনি বলেন, আত্মঅহঙ্কার বাড়লে মানুষ চেয়ার সরিয়ে দেবে। হাসি মুখে মানুষের সঙ্গে কথা বলতে অসুবিধা কোথায়। চারচাকা গাড়ি ছাড়া কী ঘোরা যায় না। এই অভ্যাস ত্যাগ করুন। নিজেদের মধ্যে দলাদলি বন্ধ করতে হবে।
দলের নেতা সুব্রত সাহা বলেন, সরকার মানুষের জন্য বহু কাজ করেছে। তাই ভোটের পরে পুরসভা দখলের দরকার হবে না। মানুষ ভোট দিয়ে আমাদের জয়ী করবেন। দলের নেতা অশোক দাস বলেন, মানুষের মন জয় করেই আমরা প্রতিটি পুরসভায় জয়ী হব।
Weather forecast- কলকাতায় শীতের আমেজ, বইতে শুরু করেছে উত্তুরে হাওয়া
Local Train Fare-তিনগুণ বেড়ে গেল লোকাল ট্রেনের ভাড়া, হতবাক নিত্যযাত্রীরা
এর আগে তৃণমূল ও বিজেপিকে আক্রমণ করেন অধীর। তিনি বলেছিলেন কংগ্রেস ওইসব প্রশান্ত কিশোরের ধার ধারে না। যারা ২০১৪ সালে বিজেপির সঙ্গে হাত মিলিয়ে নির্বাচন করেছিল, মোদীর হয়ে প্রচারের দায়িত্ব নিয়েছিল। তাই প্রশান্ত কিশোর তলে তলে বিজেপির সঙ্গে হাত মিলিয়ে আবার যাতে বিজেপি ক্ষমতায় আসে তার ব্যবস্থা করছে। আর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভিতরে ভিতরে প্রশান্ত কিশোরকে দিয়ে বিজেপির সঙ্গে গট আপ গেম খেলতে চাইছে।
এদিন অধীর আরও বলেন শুধুমাত্র টাকার বিনিময়ে ভোটের দালালি করে প্রশান্ত কিশোর। ২০১৪ সালে বিজেপির হয়ে কাজ করেছে, তারপরে মমতার হয়ে পয়সার বিনিময়ে কাজ করেছে, এখন আবার নতুন করে ২৪এর লোকসভা নির্বাচনের জন্য বিজেপির হয়ে ছক করতে চাইছে"।