Adhir Chowdhury: কংগ্রেস নেতা অধীর রঞ্জন চৌধুরী জানিয়েছেন, দল তাঁকে যে কেন্দ্র থেকেই প্রার্থী হতে বলবে, তিনি সেখান থেকেই লড়বেন। নিজেকে 'দলের সৈনিক' বলে উল্লেখ করে তিনি জানান, এবার দল একাই লড়ছে এবং সবাইকে একজোট হয়ে লড়াই করার পরামর্শ দিয়েছেন।
আবারও বিধানসভায় প্রত্যাবর্তন করবেন অধীর চৌধুরী? জল্পনা উস্কে দিলেন স্বয়ং কংগ্রেস নেতা। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে কংগ্রেস নেতা অধীর রঞ্জন চৌধুরী বৃহস্পতিবার সাফ জানিয়ে দিলেন, দল তাঁকে যেখান থেকে লড়তে বলবে, তিনি সেখান থেকেই প্রার্থী হবেন। নিজেকে 'দলের সৈনিক' বলে উল্লেখ করেছেন তিনি।
কংগ্রেসের প্রার্থী তালিকা
এবার পশ্চিমবঙ্গে কংগ্রেস একাই ভোটে লড়ছে। ফলে লড়াইটা হতে চলেছে চতুর্মুখী। যদিও এখনও পর্যন্ত একটিও প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করেনি কংগ্রেস। তবে সূত্রের খবর প্রায় সব আসনেই প্রার্থী দিচ্ছে ভারতের শতাব্দী প্রাচীন দলটি। অন্যদিকে কংগ্রেস নেতা তথা আইনজীবী অভিষেক মনু সিংভি সম্প্রতি জানিয়েছেন, কংগ্রেস উচিৎ ছিল রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে জোট বাঁধার। সমঝতা করে প্রার্থী দেওয়ার। অভিষেক মনু সিংভি তৃণমূল কংগ্রেসের হয়ে একাধিক মামলা সুপ্রিম কোর্টে লড়েছেন। কংগ্রেস সূত্রের খবর ইদের পরে কংগ্রেস প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করতে পারে। দিল্লিতে এআইসিসির বৈঠকেই তালিকা নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
কোথায় প্রার্থী হবেন অধীর চৌধুরী?
অধীর চৌধুরী বলেন, "আমি দলের একজন সৈনিক। দল আমাকে যেখান থেকে লড়তে বলবে, আমি সেখান থেকেই লড়ব। আমাদের দলের প্রত্যেককে একজোট হয়ে লড়াই করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।" রাজনৈতিক মহলে জল্পনা চলছে, পশ্চিমবঙ্গের এই বর্ষীয়ান কংগ্রেস নেতাকে হয়তো বহরমপুর কেন্দ্র থেকে প্রার্থী করা হতে পারে। গত লোকসভা নির্বাচনে এই কেন্দ্র থেকেই হেরেছিলেন তিনি। প্রায় ৩০ বছরের সাংসদ অধীর চৌধুরী। যদিও ১৯৯৬ সালে তিনি রাজ্য বিধানসভায় গিয়েছিলেন। তিনি ১৯৯৬ সালে নবগ্রাম বিধানসভা কেন্দ্র থেকে জিতে বিধায়ক হয়েছিলেন।
প্রসঙ্গত, গত দুটি বিধানসভা নির্বাচনে বামেদের সঙ্গে জোট করে লড়েও কংগ্রেসের ফল ভালো হয়নি। ২০১১ সালের বিধানসভা ভোটে অবশ্য তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে জোট বেঁধেছিল তারা। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, পশ্চিমবঙ্গে দুটি দফায় ভোট হবে—২৩ এপ্রিল এবং ২৯ এপ্রিল। এর পাশাপাশি অসম, কেরল এবং পুদুচেরিতে ভোট হবে ৯ এপ্রিল। তামিলনাড়ুতে ভোটগ্রহণ হবে ২৩ এপ্রিল। সব রাজ্যের ভোট গণনা হবে ৪ মে।

