WB Nipa Virus Update: করোনা অতীত। করোনা সংক্রমণের কালবেলা কেটে যাওয়ার প্রায় পাঁচ বছর পর ফের নতুন করে জনমানসে আতঙ্ক ছড়াচ্ছে নিপা ভাইরাস। কতটা ক্ষতিকর এই ভাইরাস? বিশদে জানতে পড়ুন সম্পূর্ণ ফটো গ্যালারি…
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকদের মতে, নিপা ভাইরাসে একবার আক্রান্ত হলে আর নিস্তার নেই। এই ক্ষেত্রে মারা যান ৪০ থেকে ৭৫ শতাংশ মানুষ। আর সবথেকে আতঙ্কের বিষয় হলো এই ভাইরাসের নির্দিষ্ট কোনও ওষুধ নেই। নেই ভ্যাকসিনও। ফলে কী কী উপসর্গ দেখে চিনবেন আপনি নিপার সংক্রমণে সংক্রামিত কীনা। নিপার হানা থেকে কীভাবে সুরক্ষিত থাকবেন? জানুন বিশদে।
25
নিপার হানা থেকে কীভাবে বাঁচবেন?
চিকিৎসকদের মতে, নিপা ভাইরাসের সংক্রমণের হাত থেকে বাঁচতে চাইলে শুয়োর প্রতিপালন বা শুয়োরের মাংস খাওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে। এছাড়াও যে কোনও ফল ভালো করে ধুয়ে তবেই খেতে হবে। একই সঙ্গে এন-৯৫ মাস্ক ব্যবহার করার কথা বলছেন বিশেষজ্ঞরা। এবং যথাসম্ভব বাইরের খাবার খাওয়া এড়িয়ে চলাই ভালো।
35
নিপা ভাইরাসের সরাসরি বাহক কে?
তবে চিকিৎসকদের কথায়, সরাসরি শুয়োর বা বাদুর নিপা ভাইরাসের বাহক নয়। নিপা ভাইরাস মাংস খাওয়ার মাধ্যমে ছড়ায় না। বরং এই প্রাণীগুলোর থেকে সংক্রামিত হওয়ার আশঙ্কা থাকে বেশি। কারণ, সংক্রামিত প্রাণীর সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগের মাধ্যমে এই ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ে।
Nipa Virus ছড়ায় বাদুড়, বিড়াল, কুকুর, শুয়োরের মতো প্রাণীদের শরীরের তরল পদার্থ থেকে। অথবা দূষিত খাবার বা পানীয় থেকেও এই ভাইরাস ছড়াতে পারে। বাদুর হলো প্রাকৃতিক বাহক। এই ভাইরাস তাদের লালা, মল, প্রস্রাবের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। শুয়োররা দূষিত ফল বা ফলের রস খেয়ে সংক্রামিত হয়।
55
মানুষের শরীরে কীভাবে সরাসরি এই ভাইরাস ছড়াচ্ছে?
শুয়োর যেহেতু প্রাকৃতিক বাহক ফলে সংক্রামিত শুয়োরের লালা, মাংস খেলে এই ভাইরাস মানুষের শরীরে ঢুকতে পারে। তবে শুয়োরের মাংস নিজেই সমস্যা নয়। তবে সংক্রামিত শুয়োর থেকে সরাসরি এই সমস্যা তৈরি হতে পারে। এরফলে পরোক্ষ ভাবে মানুষের মধ্যে সংক্রমণ ঘটে। যদিও সংক্রামিত না হওয়া মাংস না খাওয়ার ফলে নয়। বরং সংক্রামিত প্রাণী থেকে বা সংক্রামিত ফলের রস খেলে এই রোগ দ্রুত ছড়ায়।