বাস্তুশাস্ত্র, এই বাস্তু শব্দটি এসেছে বস্তু থেকে। বাস্তু বলতে সব কিছুকেই বুঝায়- তা একটি স্থান হতে পারে- কিংবা একটা বাড়িও হতে পারে। ভারত উপমহাদেশে প্রায় সভ্যতার সূচনালগ্ন থেকে স্থাপত্য নির্মাণকে গুরুত্ব দেয়া হয়েছে। সভ্যতার শুরু থেকেই ভারতীও উপমহাদেশে শিল্পচর্চাকে ঊর্ধ্বে স্থান দেয়া হয়েছে। স্থাপত্যশৈলী উপবেদের অন্যতম বিষয়। স্থাপত্য উপবেদ বা স্থাপত্যশাস্ত্র চারটি উপবেদের অন্যতম। দৈনন্দিন জীবনে অর্থভাগ্য উন্নত রাখলে বাড়ির নির্দিষ্ট কিছু স্থানে নির্দিষ্ট জিনিস রাখার পরামর্শ দিচ্ছে বাস্তুবিশারদরা। 
আরও পড়ুন- বৈশাখ মাসের একাদশীতে খাদ্য ও জল দান, সোনা দানের থেকেও বেশি ফল দেয়
বাস্তু টিপস আমাদের বাড়ির ইতিবাচক শক্তি বৃদ্ধি করতে এবং নেতিবাচকতা দূর করতে সহায়তা করতে পারে। অনেকই ঘর সাজানোর জন্য বাড়িতে মানি প্ল্যান্ট রাখেন। তবে বাস্তুমতে, যদি মানি প্ল্যান্টটি ঘরের সঠিক দিকে রাখা না হয় তবে ঘরের পরিবেশে নেগেটিভ প্রভাব বিস্তার করতে পারে। আর যদি বাস্তুর নিয়ম মেনে সঠিক দিকে রাখা হয় তবে তা ঘরে ইতিবাচক থাকে এবং অর্থ সংক্রান্ত কাজে বাধাগুলি কাটিয়ে উঠতে সাহায্য করে। বাস্তুবিশেষজ্ঞরা মনে করেন,  মানি প্ল্যান্ট সম্পর্কিত কিছু বিশেষ বিষয় জেনে নেওয়া উচিত ।
আরও পড়ুন- বৈশাখ মাসে মেনে চলুন এই নিয়মগুলি, বাধা কাটিয়ে ফেরান সৌভাগ্য
অগ্নি কোণ অর্থাত্ দক্ষিণ-পূর্বকে বাড়িতে অর্থোপার্জ বৃ্দ্ধির জন্য সেরা হিসাবে বিবেচনা করা হয়। এই গাছটি এই দিকটিতে রোপণ করার মাধ্যমে ধনাত্মক শক্তি বৃদ্ধি পায়। দক্ষিণ-পূর্ব দিকের কার্যকারক গ্রহটি শুক্র। শুক্রের দিকের দিকে এই গাছ থাকার ফলে আর্থিক দিক উন্নতি হয়।

মানি প্ল্যান্টটি বাড়ির উত্তর-পূর্ব দিকে স্থাপন করা উচিত নয়। বৃহস্পতি উত্তর-পূর্ব কোণে একটি উপাদান। শুক্র এবং বৃহস্পতি উভয়ই একে অপরের শত্রু। এ কারণে শুক্রের উদ্ভিদটি উত্তর-পূর্ব দিকে রোপণ করা উচিত নয়।

মানি প্ল্যান্ট যত সবুজ হয় ততই শুভ। এর পাতাগুলি বিবর্ণ, হলুদ বা সাদাকে অশুভ বিবেচনা করা হয়। এজন্য এর খারাপ পাতা অবিলম্বে ছিঁড়ে ফেলা উচিত। গাছটি ভালভাবে রক্ষণাবেক্ষণ করা উচিত।

বাড়িতে মানি প্ল্যান্টও রাখলে আর্থিক উন্নতি হয়। তবে এতে সময়ে সময়ে জল দেওয়া উচিত ও পর্যাপ্ত যত্ন নেওয়া উচিত।

মানি প্ল্যান্ট একটি লতা জাতীয় গাছ। তাই এটি উপরের দিকে যাতে সঠিক ভাবে বাইতে পারে তার জন্য ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন। এই গাছটি যদি মাটিতে ছড়িয়ে যায় তবে বাস্তু দোষ বৃদ্ধি পেতে থাকে।