বাংলা বছরের নবম মাস পৌষ পুষ্যা নক্ষত্রে সূর্যের অবস্থান থেকে এই মাসের নাম রাশিচক্রের দ্বাদশতম রাশি মীন পৌষ মাস কেমন কাটবে মীন রাশির

পৌষ বাংলা সনের নবম মাস এবং ভারতীয় রাষ্ট্রীয় শকাব্দের একাদশতম মাস। নামটি এসেছে পুষ্যা নক্ষত্রে সূর্যের অবস্থান থেকে। এই মাসের শেষের দিন বাঙালিরা পৌষ সংক্রান্তির মেলা উৎযাপন করে। এ সময় বাড়ি বাড়িতে ও পাশাপাশি নানা স্থানে পিঠা উৎসব আয়োজিত হয়। রাশিচক্রের একাদশতম রাশি মীন। এই রাশির অধিকর্তা গ্রহ বৃহস্পতি। প্রতিবাদ করতে গিয়ে বহুবার বিপদে পড়েছে। এদের জীবনের প্রধাণ লক্ষ্য প্রচুর অর্থ উপার্জন করা। এরা সাধারণত নম্র ও ধার্মিক প্রকৃতির হয়ে থাকে। এই রাশির জাতক-জাতিকারা উদার পরোপকারী ও সৎ প্রকৃতির। এদের মানসিক অস্থিরতা মাঝে মাঝেই এদের লক্ষ্যের পথে অন্তরায় হয়ে দাঁড়ায়। প্রেমের জীবন সুখের না হলেও বৈবাহিক জীবন এদের অত্যন্ত সুখের। এরা অন্যায়ের সঙ্গে একেবারেই আপোস করতে পারে না। তবে জেনে নেওয়া যাক বাংলা বছরের নবম মাস পৌষ মীন রাশির উপর কেমন প্রভাব ফেলবে-

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

আরও পড়ুন- ২০২০ সালের শেষ দিন কেমন কাটবে আপনার, দেখে নিন আজকের রাশিফল

পৌষ মাসে মীন রাশির কর্মক্ষেত্রে উচ্চপদস্থ কোনও ব্যক্তির সঙ্গে সমস্যা বৃদ্ধি পেতে পারে। ব্যবসার প্রয়োজনে বিদেশ যাত্রার যোগ রয়েছে, পাশাপাশি ব্যবসার উন্নতির যোগও রয়েছে। প্রতিবেশীর সঙ্গে সম্পত্তি নিয়ে সমস্যা দেখা দিতে পারে। শারীরিক সমস্যা বৃদ্ধি পেতে পারে, ফলে চিকিৎসার জন্য ব্যয় বৃদ্ধির যোগ রয়েছে। এই মাসে সন্তানের পড়াশুনা নিয়ে চিন্তা বৃদ্ধি পেতে পারে। বিদ্যার্থীদের জন্য এই মাস খুব শুভ। ব্যবাসয় লাভের পরিমান বৃদ্ধির যোগ রয়েছে। আয় ভালো হলেও ব্যয়ের পরিমান বৃদ্ধির যোগ রয়েছে। এই মাসে উদারতার জন্য ব্যয় বৃদ্ধি পেতে পারে। প্রতিযোগীতামূলক বিষয়ে সাফল্যের যোগ রয়েছে। এই মাসে অপরের প্রতি বিরোধী মনোভাব বৃদ্ধি পেতে পারে। প্রেমের বিষয়ে ব্যকুলতা বৃদ্ধি পেতে পারে। কোনও মহিলার প্রতি অনুরাগ বৃদ্ধি পেতে পারে।

আরও পড়ুন- নতুন বছরেই বিয়ে, দম্পত্য জীবন সুখী করতে বাস্তুমতে বানান বিয়ের কার্ড

জ্যোতিষশাস্ত্রের একটি বিভাগ দেশ, রাজ্য, শহর, গ্রাম ইত্যাদির এবং প্রাকৃতিক ঘটনাবলীর যেমন ভূমিকম্প, ঝড়, ঝঞ্ঝা, মহামারী বা প্লাবণের ভবিষ্যদ্বাণী করতেও ব্যবহৃত হয়। আবার জাতকের জন্ম সময়, তারিখ এবং জন্মস্থানের ভিত্তিতে, জন্মকালে মহাকাশে গ্রহের অবস্থান নিরুপণ করে অথবা প্রশ্নের সময় গ্রহাদির অবস্থান নির্ণয় করে, অথবা হস্তরেখাবিচার, শরীরের চিহ্নবিচার ইত্যাদি বিভিন্ন পদ্ধতির ব্যবহারে প্রশ্নকর্তার ভবিষ্যতের গতিপ্রকৃতি নির্ধারণ করার জ্ঞান ও পদ্ধতিকে জ্যোতিষশাস্ত্র বলা হয়।