হরিয়ালি তীজ ব্রত ২০২২ বিবাহিত মহিলারা তাঁদের স্বামীর দীর্ঘায়ু এবং সুখী দাম্পত্যের জন্য পালন করে। কিছু কিছু জায়গায়, আবিবাহিত মেয়েরাও মনের মত জীবনসঙ্গী পাওয়ার উদ্দেশ্যে হরিয়ালি তীজের উপবাস রাখে। এই উপবাসে মহিলারা নিয়মানুযায়ী ভগবান শঙ্কর ও মাতা পার্বতীর পূজা করেন। 

হরিয়ালি তীজ ব্রত সাধারনত অবাঙ্গালিদের মধ্যে বহুল জনপ্রিয় একটি ব্রত। তবে বর্তমানে বাঙালিদের মধ্যেও এই ব্রত পালনের প্রভাব বাড়ছে। শুক্লপক্ষের তৃতীয়া তিথিতে অর্থাৎ ৩১ জুলাই ২০২২, শ্রাবণ মাসে রবিবার পড়েছে। শ্রাবণ মাসে চারিদিকে সবুজের সমারোহ। এই কারণে এটিকে হরিয়ালি তীজ বলা হয়।
হরিয়ালি তীজ ব্রত ২০২২ বিবাহিত মহিলারা তাঁদের স্বামীর দীর্ঘায়ু এবং সুখী দাম্পত্যের জন্য পালন করে। কিছু কিছু জায়গায়, আবিবাহিত মেয়েরাও মনের মত জীবনসঙ্গী পাওয়ার উদ্দেশ্যে হরিয়ালি তীজের উপবাস রাখে। এই উপবাসে মহিলারা নিয়মানুযায়ী ভগবান শঙ্কর ও মাতা পার্বতীর পূজা করেন। এই দিনে মহিলারা তাঁদের হাতে মেহেন্দি লাগান এবং ষোল উপকরণ দিয়ে পূজা করেন।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

হরিয়ালি তীজ একটি বিরল কাকতালীয় ঘটনা-
প্রতি বছর শ্রাবণ মাসের শুক্লপক্ষের তৃতীয়া তিথিতে হরিয়ালি তীজ ব্রত পালন করা হয়। এই বছর হরিয়ালি তীজে একটি খুব শুভ যোগ রবি যোগ গঠিত হচ্ছে। এটি পূজা, ধর্মীয় কর্মকাণ্ডের জন্য অত্যন্ত শুভ বলে মনে করা হয়। রবি যোগ ১ আগস্ট, ২০২২ ভোররাত ২ টো বেজে ২০ মিনিট থেকে সন্ধ্যা ৬ টা বেজে ৪ মিনিট পর্যন্ত থাকবে। অন্যদিকে, হরিয়ালি তীজে দুপুর ১২ টা ৯ মিনিট থেকে দুপুর ১ টা বেজে ১ মিনিট পর্যন্ত থাকবে অভিজিৎ মুহুর্তা। এই উপবাসে ভগবান শিব এবং মা পার্বতীর পূজা করা হয় এবং তাদের ১৬ টি সাজার উপকরণ দেওয়া হয়।

হরিয়ালি তিজ শুভ মুহুর্ত-
হরিয়ালি তিজ ব্রত : ৩১ জুলাই ২০২২, রবিবার
শ্রাবণ শুক্লা তৃতীয়া তারিখ শুরু হয় : ৩১ শে জুলাই, ২০২২ ভোররাত ২ টো বেজে ৫৯ মিনিটে
শ্রাবণ শুক্লা তৃতীয়ার তারিখ শেষ হবে : ১ আগস্ট, ২০২২ সকাল ৪ টা ১৮ মিনিটে

আরও পড়ুন- শ্রাবণে কোন শিবলিঙ্গের পুজোয় কী ফল মেনে, জেনে নিয়ে তবেই ঠিক করুন

আরও পড়ুন- শ্রাবণের প্রথম সোমবার মীন রাশিতে তৈরি হচ্ছে গজকেশরী যোগ

আরও পড়ুন- ফেং শুই বিড়ালের এত উপকারিতা আগে জানতেন, আর্থিক সমস্যা কাটাতে সেরা

হরিয়ালি তিজ ব্রতের গুরুত্ব-
এটা বিশ্বাস করা হয় যে মাতা পার্বতী ১০৭ বার জন্ম নিয়েছিলেন এবং ভগবান শিব শঙ্করকে তার স্বামী হিসাবে পেতে কঠোর তপস্যা করেছিলেন। এরপর ১০৮ তম জন্মে অত্যন্ত কঠোর তপস্যা করে ভগবান শঙ্করের সঙ্গে তাঁর বিয়ে হয়। এটি একটি ধর্মীয় বিশ্বাস যে অবিবাহিত মেয়েরা এই দিনে উপবাস করলে তাঁরা তাঁদের পছন্দের বর পায়। অন্যদিকে, মধুচন্দ্রিমা পালনকারীরা যদি এই উপবাস পালন করেন, তবে তারা অবারিত সৌভাগ্য লাভ করেন।