বাংলা বছরের দশম মাস মাঘ। পাশাপাশি রাশিচক্রের চতুর্থ রাশি কর্কট। এই রাশির অধিকর্তা গ্রহ চন্দ্র। এই রাশির জাতক-জাতিকারা একটু চঞ্চল প্রকৃতির হয়ে থাকে। জেনে নেওয়া যাক বছরের দশম মাস কর্কট রাশির উপর কেমন প্রভাব ফেলবে-

মাঘ বাংলা মাসের দশম মাস। এই মাসের আরেক নাম মাঘা। মাঘ বাংলা সনের দশম মাস এবং ভারতীয় রাষ্ট্রীয় শকাব্দের একাদশ মাস। বাংলা মাঘ এবং শকাব্দের "মাঘা" নামটি এসেছে মঘা নক্ষত্রে সূর্যের অবস্থান থেকে। পাশাপাশি রাশিচক্রের চতুর্থ রাশি কর্কট। এই রাশির অধিকর্তা গ্রহ চন্দ্র।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

এরা সময় বিশেষ কৃপণ আবার কখনও উদার মানসিকতার। এরা কোন কাজ করবে কোন কাজ করবে না তা এরা সিদ্ধান্ত নিতে পারে না। এদের ঈশ্বর ভক্তি প্রবল হয়ে থাকে। তবে এদের স্মৃতিশক্তি খুব প্রখর, এরা সহজে কোনও কিছু ভোলে না। এরা অত্যন্ত তোষামোদ প্রিয়। এরা চঞ্চল এবং অস্থির মানসিকতার। এরা কাজ করতে খুব পছন্দ করে। তবে জেনে নেওয়া যাক মাঘ মাস কর্কট রাশির উপর কেমন প্রভাব ফেলবে-

মাঘ মাসে কর্কট রাশির শারীরিক সমস্যা বৃদ্ধি পেতে পারে, সেই কারণে কাজে সমস্যা হতে পারে। গুরুজনদের জন্য বিপদ থেকে রক্ষা পেতে পারেন। বন্ধুর ব্যবহারে সমস্যার সৃষ্টি হতে পারে। ব্যবসায় বাড়তি লাভের সম্ভাবনা রয়েছে। এই মাসে বন্ধুর সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ার যোগ রয়েছে। মানসিক সমস্যা কোনও কারণে বৃদ্ধি পেতে পারে। চঞ্চলতার কারণে ভালো সুযোগ হাতছাড়া হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। নিজের অধিকার থেকে প্রতারিত হতে পারেন। এই মাসে বারতি আয় কম হবে। সহকর্মীদের সঙ্গে বিবাদের যোগ রয়েছে। প্রিয় ব্যক্তির থেকে আঘাতের যোগ আসতে পারে। সঙ্গীর জন্য খরচ বৃদ্ধি পেতে পারে।

আরও পড়ুন- ব্যবসায় উন্নতির যোগ রয়েছে, মাঘ মাস কেমন প্রভাব ফেলবে বৃষ রাশির উপর

আরও পড়ুন- বিবাহিত জীবনে অশান্তির আশঙ্কা রয়েছে, মাঘ মাস কেমন প্রভাব ফেলবে মেষ রাশির উপর

জ্যোতিষশাস্ত্রের একটি বিভাগ দেশ, রাজ্য, শহর, গ্রাম ইত্যাদির এবং প্রাকৃতিক ঘটনাবলীর যেমন বৃষ্টি, অতিবৃষ্টি, অনাবৃষ্টি, ভূমিকম্প, ঝড়, ঝঞ্ঝা, মহামারী বা প্লাবণের ভবিষ্যদ্বাণী করতেও ব্যবহৃত হয়। জাতকের জন্মসময়, তারিখ এবং জন্মস্থানের ভিত্তিতে, জন্মকালে মহাকাশে গ্রহের অবস্থান নিরুপণ করে অথবা প্রশ্নের সময় গ্রহাদির অবস্থান নির্ণয় করে, অথবা হস্তরেখাবিচার, শরীরের চিহ্নবিচার ইত্যাদি বিভিন্ন পদ্ধতির ব্যবহারে প্রশ্নকর্তার ভবিষ্যতের গতিপ্রকৃতি নির্ধারণ করার জ্ঞান ও পদ্ধতিকে জ্যোতিষশাস্ত্র বলা হয়।