রাশিয়া আর ইউক্রেন যুদ্ধই হতে পারে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ। ধ্বংস হয়ে যেতে পারে। অনেক অনেক বছর আগে এমনটাই বলেছিলেন ফরাসী জ্যোতিষী। 

মাইকেল ডি নোস্ট্রাডামে, ফরাসি জ্যোতিষী। ১৫০৩ খ্রিষ্টাব্দে তাঁর জন্ম। মৃত্যু ১৫৬৬ খ্রিষ্টাব্দে। কিন্তু মৃত্যুর আগে পর্যন্ত তিনি বিশ্বের অবস্থা ও পারিপার্শিকতা নিয়ে যেসব ভবিষ্যৎবাণী করেছিলেন তা এখনও পর্যন্ত ফেল গেছে। তবে ২০২৩ সাল নিয়েও তিনি মৃত্যুর আগে পর্যন্ত অনেক কথাই বলে গেছেন। আসুন দেখেনি তিনি কী কী বলেছেন। তবে মৃত্যুর আগে পর্যন্ত তিনি ৬ হাজার ৩৩৮টি ভবিষ্যৎবাণী লিখে রেখে গিয়েছিলেন। তারই মধ্যে ছিল দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের কথা। হিটলারের উত্থান নিয়েও তিনি মন্তব্য করেছিলেন। তবে তাঁর করা ভবিষ্যৎবানীগুলির মধ্যে ছিল করোনা আর ইউক্রেন রাশিয়ার যুদ্ধও।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

এক নজরে নোস্ট্রাডামসের ভবিষ্যৎবাণীঃ

তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ

২০২৩ সালে টানা সাত মাস যুদ্ধ হবে বলেছিলেন। অনেকেই এটিকে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ হিসেবে বর্ণনা করছেন। তাদের কথায় রাশিয়া আর ইউক্রেন যুদ্ধ তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের আকার নিতে পারে। চিন আর তাইওয়ানের দ্বন্দ্বকেও অনেকে ভবিষ্যৎবানীর মধ্যে রেখেছেন।

মঙ্গলে মানুষ

নোস্ট্রাডামস মঙ্গল গ্রহণ নিয়েও ভবিষ্যৎবাণী করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন মঙ্গল গ্রহে আলো পড়ছে। অনেকেই বিশ্বাস করেন নেস্ট্রাডামস বলতে চেয়েছেন মঙ্গল গ্রহে মানুষ এই বছরই পা রাখবে। একই সঙ্গে মঙ্গল গ্রহে মানুষকে নিয়ে যাওয়া সংক্রান্ত মিশনে এ বছর বড়সড় সাফল্য পাওয়া যেতে পারে বলে মনে করছেন অনেকে।

পোপ পরিবর্তন

চলতি বছর পোপের পরিবর্তন হতে পারে। অনেকেই বলছেন চলতি বছর পোপ ফ্রান্সিসের জায়গায় অন্যকেউ আসবে। তবে তিনি বলেছেন পোপ ফ্রান্সিসই হবেন সত্যিকারের পোপ। তার জায়গায় একজন কলঙ্কিত ব্যক্তি আসবেন।

রাজকীয় বাড়িতে আগুন

অনেকেই নোস্ট্রাডামের এই ভবিষ্যৎবানীকে নতুন সভ্যতার উত্থান হিসেবে বর্ণনা করেছেন। অনেকে আবার বলছেন এটাই পৃথিবীর শেষ চিহ্ন।

দুই মহাশক্তি একসঙ্গে

একসঙ্গে দুটি মহাশক্তির নতুন জোট গঠনের। নোস্ট্রাডামাসের ভবিষ্যদ্বাণীতে, এই জোট হবে একজন শক্তিশালী পুরুষ এবং একজন দুর্বল পুরুষ বা মহিলা নেতার মধ্যে। যদিও এর প্রভাব ভালো হবে কিন্তু বেশিদিন থাকবে না বলেও উল্লেখ করেছেন তিনি।

আর্থিক মন্দা

তিনি বলেগেছেন ২০২৩ সালে যুদ্ধের কারণে আর্থিক মন্দা দেখা দেবে। যদিও চলতি বছর প্রথম থেকেই একের পর এক দেশের অর্থনীতি ভেঙে পড়ছে। আর্থিক মন্দা দেখা দিয়েছে।