বাংলা বছরের নবম মাস পৌষ, পাশাপাশি রাশিচক্রের দ্বাদশ রাশি মীন। এই রাশির অধিকর্তা গ্রহ বৃহস্পতি। এই রাশির জাতক-জাতিকারা একটু চঞ্চল প্রকৃতির হয়ে থাকে। জেনে নেওয়া যাক বছরের নবম পৌষ রাশির উপর কেমন প্রভাব ফেলবে-

পৌষ বাংলা বছরের নবম মাস এবং ভারতীয় রাষ্ট্রীয় শকাব্দের নবম মাস। নামটি এসেছে পুষ্যা নক্ষত্রে সূর্যের অবস্থান থেকে। এই মাসের শেষের দিন বাঙালিরা পৌষ সংক্রান্তির মেলা উৎযাপন করে। এই সময় বাড়ি বাড়িতে ও পাশাপাশি নানা স্থানে পিঠা উৎসব আয়োজিত হয়। রাশিচক্রের দ্বাদশ রাশি মীন।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

এই রাশির জাতক জাতিকারা উদার, পরোপকারী ও সৎ হয়। কিন্তু বৃহস্পতি অশুভ থাকলে অবস্থা বিপরীত হয়। প্রতিভা যথেষ্ট কিন্তু মানসিক অস্থিরতার জন্য ঠিকমতো বিকশিত হয় না। এরা প্রেমের ক্ষেত্রে অসফল কিন্তু বৈবাহিক জীবন সুখের হয়। এদের জীবনে একটাই লক্ষ্য প্রচুর অর্থ উপার্জন করা। আর সেই অর্থে আনন্দে জীবন কাটানো। এরা সাধারণত চিন্তাশীল ও খুব বিচক্ষণ হয়ে থাকে। অন্যায়ের প্রতিবাদ করতে গিয়ে জীবনে অনেক বার বিপদে পড়তে হয়। এরা বন্ধুদের বেশির ভাগই হয় খল, দুষ্ট ও ধড়িবাজ প্রকৃতির। এদের ভাগ্যে অনেক বাধা আসবে এবং সে সব সহজে দূর হবে না। স্বভাবে এরা নম্র, ন্যায়পরায়ণ ও ধার্মিক। তবে জেনে নেওয়া যাক বছরের নবম মাস মীন রাশির উপর কেমন প্রভাব ফেলবে-

পৌষ মাসে মীন রাশির আয় ভালো হলেও ব্যয়ের পরিমান বৃদ্ধির যোগ রয়েছে। এই মাসে অপরের প্রতি বিরোধী মনোভাব বৃদ্ধি পেতে পারে। শারীরিক সমস্যা বৃদ্ধি পেতে পারে, ফলে চিকিৎসার জন্য ব্যয় বৃদ্ধির যোগ রয়েছে। প্রতিবেশীর সঙ্গে সম্পত্তি নিয়ে সমস্যা দেখা দিতে পারে। প্রতিযোগীতামূলক বিষয়ে সাফল্যের যোগ রয়েছে। কর্মক্ষেত্রে উচ্চপদস্থ কোনও ব্যক্তির সঙ্গে সমস্যা বৃদ্ধি পেতে পারে। প্রেমের বিষয়ে ব্যকুলতা বৃদ্ধি পেতে পারে। ব্যবসার প্রয়োজনে বিদেশ যাত্রার যোগ রয়েছে, পাশাপাশি ব্যবসার উন্নতির যোগও রয়েছে। এই মাসে উদারতার জন্য ব্যয় বৃদ্ধি পেতে পারে। এই মাসে সন্তানের পড়াশুনা নিয়ে চিন্তা বৃদ্ধি পেতে পারে। কোনও মহিলার প্রতি অনুরাগ বৃদ্ধি পেতে পারে। ব্যবাসয় লাভের পরিমান বৃদ্ধির যোগ রয়েছে। বিদ্যার্থীদের জন্য এই মাস খুব শুভ।

জ্যোতিষশাস্ত্রের একটি বিভাগ দেশ, রাজ্য, শহর, গ্রাম ইত্যাদির এবং প্রাকৃতিক ঘটনাবলীর যেমন বৃষ্টি, অতিবৃষ্টি, অনাবৃষ্টি, ভূমিকম্প, ঝড়, ঝঞ্ঝা, মহামারী বা প্লাবণের ভবিষ্যদ্বাণী করতেও ব্যবহৃত হয়। আবার জাতকের জন্ম সময়, তারিখ এবং জন্মস্থানের ভিত্তিতে, জন্মকালে মহাকাশে গ্রহের অবস্থান নিরুপণ করে অথবা প্রশ্নের সময় গ্রহাদির অবস্থান নির্ণয় করে, অথবা হস্তরেখাবিচার, শরীরের চিহ্নবিচার ইত্যাদি বিভিন্ন পদ্ধতির ব্যবহারে প্রশ্নকর্তার ভবিষ্যতের গতিপ্রকৃতি নির্ধারণ করার জ্ঞান ও পদ্ধতিকে জ্যোতিষশাস্ত্র বলা হয়।