২০২৬ সালের নির্জলা একাদশী ২৫ জুন পালিত হবে, যা বছরের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ একাদশী। যারা প্রথমবার এই ব্রত পালন করছেন, তাদের জন্য সংকল্প নেওয়া, জল পান না করা, এবং দুঃস্থদের দান করার মতো কিছু বিশেষ নিয়ম রয়েছে যা পালন করা আবশ্যক।
নির্জলা একাদশী হল বছরের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ একাদশী। কথায় বলে, যে ব্যক্তি এই একটি একাদশী পালন করেন, তিনি নাকি সারা বছরের সমস্ত একাদশী পালনের পুণ্যফল লাভ করেন। এই বছর নির্জলা একাদশীর ব্রত ২৫ জুন, বৃহস্পতিবার পালন করা হবে। বছরের সবচেয়ে বড় একাদশী হওয়ার কারণে এর কিছু বিশেষ নিয়মও রয়েছে। আপনি যদি প্রথমবার নির্জলা একাদশীর ব্রত রাখার কথা ভেবে থাকেন, তাহলে এই জরুরি নিয়মগুলো মেনে চলা অত্যন্ত দরকারি। আসুন, সেই নিয়মগুলো সম্পর্কে জেনে নেওয়া যাক...

ব্রতের আগে অবশ্যই সংকল্প নিন
ধর্মগ্রন্থে বলা আছে, যেকোনো ব্রত শুরু করার আগে তার জন্য সংকল্প করা উচিত। আপনি যদি নির্জলা একাদশীর ব্রত করতে চান, তাহলে সকালে স্নান সেরে হাতে জল, চাল এবং ফুল নিয়ে ব্রত-পুজোর সংকল্প নিন। যদি কোনো বিশেষ মনস্কামনা নিয়ে এই ব্রত রাখেন, তাহলে সেটাও সংকল্প করার সময় অবশ্যই বলুন।
জলও পান করা চলবে না
সাধারণত অন্য উপবাসে জল পানে কোনো বাধা থাকে না, কিন্তু নির্জলা একাদশীতে সারাদিন এক ফোঁটা জল না খেয়ে থাকতে হয়। এই কঠোর নিয়মটা পালন করা সবার জন্য জরুরি বলে মনে করা হয়। তবে বয়স্ক এবং অসুস্থ ব্যক্তিরা এই নিয়মের বাইরে। তাঁরা নিজেদের শরীরের কথা মাথায় রেখে জল পান করতে পারেন।
নেতিবাচক চিন্তা থেকে দূরে থাকুন
নির্জেলা একাদশী ব্রত চলাকালীন নেতিবাচক চিন্তা থেকে দূরে থাকুন। অর্থাৎ, কারও সম্পর্কে খারাপ ভাববেন না বা কারও উপর রাগ করবেন না। এই দিনটিতে ঝগড়া, মিথ্যা কথা এবং খারাপ চিন্তা থেকে দূরে থাকার চেষ্টা করুন। এমনটা করলে আপনার ব্রত সম্পূর্ণ হবে এবং শুভ ফল পাওয়া সম্ভব হবে।
খাবারের কথা ভাববেন না
নির্জেলা একাদশীর ব্রততে খাবার খাওয়া যেমন বারণ, তেমনই খাবারের কথা ভাবাও উচিত নয়। মনে করা হয়, ऐसा করলে ব্রতের পুণ্যফল কমে যেতে পারে। এই সময়ে যতটা সম্ভব মনে মনে ভগবান বিষ্ণুর মন্ত্র জপ করতে থাকুন।
দুঃস্থদের দান করুন
নির্জেলা একাদশীর দিন জলভরা কলসি, ছাতা, পোশাক, ফল বা শস্য দান করা অত্যন্ত পুণ্যের কাজ বলে মনে করা হয়। দুঃস্থ মানুষদের সাহায্য করলে ভগবান বিষ্ণু প্রসন্ন হন। মনে রাখবেন, দান ছাড়া এই ব্রত সম্পূর্ণ হয় না।


