২০২৬ সালের পাপমোচনী একাদশী ১৪ না ১৫ মার্চ, এই নিয়ে বিভ্রান্তি রয়েছে। পঞ্জিকা অনুসারে, উদয়া তিথি মেনে ১৫ মার্চ, রবিবার এই ব্রত পালিত হবে। এটি হিন্দু বছর বিক্রম সংবৎ ২০৮২-এর শেষ একাদশী, যা সমস্ত পাপ থেকে মুক্তি দেয় বলে বিশ্বাস করা হয়।

হিন্দু ধর্মে একাদশী তিথির একটা বিশেষ গুরুত্ব আছে। এই দিনে মূলত ভগবান বিষ্ণুর পুজো করা হয়। বছরে মোট ২৪টি একাদশী পড়ে, আর প্রত্যেকটির নাম, মাহাত্ম্য এবং ব্রতকথা আলাদা। হিন্দু বছরের শেষ একাদশী হল পাপমোচনী একাদশী, যা চৈত্র মাসের কৃষ্ণপক্ষে পালিত হয়। ২০২৬ সালে এই একাদশী পড়েছে মার্চ মাসে। চলুন জেনে নেওয়া যাক, পাপমোচনী একাদশীর ব্রত কবে পালন করবেন এবং এর গুরুত্ব কী...

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

কবে পড়েছে পাপমোচনী একাদশী ২০২৬?

পঞ্জিকা অনুসারে, চৈত্র মাসের কৃষ্ণপক্ষের একাদশী তিথি শুরু হচ্ছে ১৪ মার্চ, শনিবার, সকাল ৮টা ১১ মিনিটে। তিথি শেষ হবে পরের দিন, অর্থাৎ ১৫ মার্চ, রবিবার, সকাল ৯টা ১৬ মিনিটে। যেহেতু ১৫ মার্চ সূর্যোদয়ের সময় একাদশী তিথি থাকছে, তাই সেই দিনই পাপমোচনী একাদশীর ব্রত পালন করা হবে।

পাপমোচনী একাদশীর গুরুত্ব

পাপমোচনী একাদশীর সঙ্গে একটি পৌরাণিক কাহিনিও জড়িয়ে আছে, যা এই ব্রতের গুরুত্ব তুলে ধরে। কাহিনি অনুসারে, যে সাধু-সন্ন্যাসীরা সৌন্দর্যের মোহে পড়ে নিজেদের তপস্যা ভুলে যান, তারাও এই একাদশীর ব্রত পালন করে মুক্তি লাভ করতে পারেন। অন্যদিকে, যারা এই ব্রতের গুরুত্ব না বুঝে ভোগ-বিলাসে মত্ত থাকেন, তাদের ঘোর নরকবাসী হতে হয়। বিশ্বাস করা হয়, যে ভক্ত純 মনে এই ব্রত পালন করেন, তিনি মৃত্যুর পর বৈকুণ্ঠ লোকে শ্রীহরির চরণে স্থান পান।

হিন্দু বছর বিক্রম সংবৎ ২০৮২-এর শেষ একাদশী

পাপমোচনী একাদশী হল হিন্দু বছর বিক্রম সংবৎ ২০৮২-এর শেষ একাদশী। কারণ এর ঠিক কয়েকদিন পরেই, অর্থাৎ ১৯ মার্চ থেকে শুরু হয়ে যাবে হিন্দু নববর্ষ বিক্রম সংবৎ ২০৮৩। বছরের শেষ একাদশী হওয়ায় এর গুরুত্ব আরও বেশি। এই দিন বরিয়ান, পরিঘ, চর এবং সুস্থির নামের ৪টি শুভ যোগও তৈরি হচ্ছে।