শনির প্রকোপ থেকে বাঁচার অন্যতম উপায় হল নীলকান্তমণি বা নীলা রত্ন ধারণ করা রত্নটি অ্যালুমিনিয়াম অক্সাইড স্যাফায়ারের উপাদানে তৈরি নীলা শুধুমাত্র নীল রঙের নয় এর আরও অনেক রঙ হয়ে থাকে কাশ্মীরের ময়ূরকন্ঠী নীলা পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দর নীলা

জ্যোতিষশাস্ত্র মতে, 'শনির দৃষ্টি' শব্দবন্ধটি মানব জীবনে দুর্ভাগ্যের ইঙ্গিত বয়ে আনে। পুরান মতে শনি দেবতা সবার উপর রুষ্ট হন না কেবলমাত্র অলস ব্যক্তির উপর রুষ্ট হন। শনির প্রকোপ থেকে বাঁচার অন্যতম উপায় হল নীলকান্তমণি বা নীলা রত্ন ধারণ করা। নীলাকে হিন্দিতে নীলম, ফারসীতে কবুদ সংস্কৃতে নীলাশ্ম, ইন্দ্রনীল, নীলোৎপল ইত্যাদি বিভিন্ন নামে অভিহিত করা হয়। রত্নটি অ্যালুমিনিয়াম অক্সাইড স্যাফায়ারের উপাদানে তৈরি।
নীলা শুধুমাত্র নীল রঙের নয় এর আরও অনেক রঙ হয়ে থাকে। গোলাপী আভাযুক্ত, পীত হলুদ বর্ণের হয়ে থাকে। আর এই বর্ণ অনুসারেই ইন্দ্রনীলা, অপরাজিতা নীলা, রক্তমূখী নীলা ইত্যাদি নাম করণ করা হয়েছে।
শ্রীলঙ্কা, বর্মা, থাইল্যান্ড, সহ ভারতের কিছু অঞ্চলে নীলা পাওয়া যায়। কাশ্মীরের ময়ূরকন্ঠী নীলা পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দর নীলা।
তবে নীলা ধারণের জন্য রয়েছে বিশেষ কিছু নিয়ম। নীলা ধারণ করার কয়েকদিন আগে থেকে কাছে রেখে পরীক্ষা করে দেখতে হবে রত্নটি সহ্য হবে কি না। রত্ন পরীক্ষা চলাকালীন যদি কোনও দুর্ঘটনা, মাথা ঘোরা বা শরীর খারাপ হয় তবে নীলা ধারণ করা যাবে না। আর যদি এই সমস্ত কোনও রকম সমস্যা না হয়। তবে ধারণকারী অনায়াসেই নীলা ধারণ করতে পারবেন।
শনি গ্রহের প্রতিকার করার জন্য ইন্দ্রনীলা ৫ থেকে ৮ রতি ধারণ করতে হবে। এর কম কতি ধারণ করা যাবে না।
নীলা ব্যবহার করতে হলে জীবনে অস্থিরতা, মানসিক শান্তি ও সাহস বৃদ্ধিতে সাহায্য করে, নানা ঝুট ঝামেলা, দীন দুর্দশা এবং শনি গ্রহের প্রতিকার এর জন্য নীলা ব্যবহার করা হয়।
নীলা ধারণ করতে হলে শনিবার বা অমাবস্যায় ধারণ করতে হবে। মধ্যমায় সীসা বা সোনায় নীলা ধারণ করতে হবে।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred