চাণক্য-কে ভারতের সেরা পণ্ডিতদের মধ্যে গণনা করা হয়। চাণক্যের বিভিন্ন বিষয়ে জ্ঞান ও বিশেষজ্ঞ ছিলেন। চাণক্য অর্থনীতি, কূটনীতি, রাষ্ট্রবিজ্ঞান এবং সমাজবিজ্ঞানেও ছিলেন পারদর্শী। চাণক্যের এই নীতি একজন ব্যক্তিকে সাফল্যের পাশাপাশি বুদ্ধিমান করে তোলে। এই কারণেই আজও বিপুল সংখ্যক মানুষ চাণক্য নীতি শিক্ষার অনুসরণ করে এবং তাঁদের জীবনে এই শিক্ষাগুলি বাস্তবায়নের চেষ্টা করে।

আরও পড়ুন- বাড়িতে পোষ্য রাখলে মনে রাখুন এই বিষয়গুলি, কোনওদিনও হবে না আর্থিক ও মানসিক সমস্যা ...

চাণক্যের মতে, এই জিনিসগুলি যখন কোনও ব্যক্তির মধ্যে থাকে, তখন তাকে বুদ্ধিমান বলা হয়। জ্ঞানী ব্যক্তি সর্বত্র সম্মান পান। সমাজে এই জাতীয় ব্যক্তির কথা মনোযোগ সহকারে শোনা যায় এবং প্রয়োগ করা হয়। চাণক্যের মতে, সঙ্কট এলে দুঃখ করতে নেই, এমন একজন ব্যক্তি যার নিজের শক্তি এবং যোগ্যতার সত্যিকারের জ্ঞান আছে এবং ক্ষতির ক্ষেত্রে দুঃখ সহ্য করার ক্ষমতা রাখেন। দুঃসময়ে যিনি বিভ্রান্ত হন না, এই জাতীয় ব্যক্তিকে বুদ্ধিমান বলা হয়।

আরও পড়ুন- এক নজরে দেখে নিন ২০২১ সালের সরস্বতী পুজোর দিন-ক্ষণ ও তিথি ...

চাণক্যের মতে, ভুল কাজ থেকে দূরে রাখা , সৎকর্ম অবলম্বন করা এবং খারাপ কাজ থেকে দূরে রাখা বুদ্ধিমান ব্যক্তির লক্ষণ। এই জাতীয় ব্যক্তি সর্বদা বিতর্ক থেকে দূরে থাকে এবং তার বুদ্ধি দ্বারা সাফল্য অর্জন করেন। চাণক্যের মতে, বুদ্ধিমান ব্যক্তি হল সেই, যিনি সফল হওয়ার আগে তার পরিকল্পনা প্রকাশ করেন না। যে ব্যক্তির দায়িত্ব, পরামর্শ এবং সিদ্ধান্তটি কাজ শেষ হওয়ার প্রকাশ্যে আনেন, তাঁকেই বুদ্ধিমান বলা হয়।

প্রতিটি বাধা অতিক্রম করার দক্ষতা একজন ব্যক্তিকে বুদ্ধিমান করে তোলে। আচার্য চাণক্যের মতে, যে ব্যক্তি তার কাজগুলি সম্পন্ন করতে কোনও ধরণের বাধাতেই ভয় পান না এবং নিয়মিত তার লক্ষ্যের দিকে এগিয়ে চলেছেন। শীত বা উত্তাপ, ভয় বা স্নেহ, সম্পদ বা দরিদ্রতা, যে ব্যক্তি প্রতিটি প্রতিবন্ধকতা সহ্য করার ক্ষমতা রাখে তাঁকে বুদ্ধিমান বলা হয়।