টয়োটা ফর্চুনার তার তৃতীয় প্রজন্মের মডেলে বড়সড় পরিবর্তন নিয়ে আসছে, যা ২০২৬ সালের শেষে বাজারে আসতে পারে। নতুন মডেলে হিলাক্স-অনুপ্রাণিত ডিজাইন, ১২.৩ ইঞ্চির টাচস্ক্রিন সহ আধুনিক ইন্টেরিয়র এবং একটি নতুন মাইল্ড-হাইব্রিড ডিজেল ইঞ্জিন বিকল্প থাকবে।

ভারতের বাজারে অত্যন্ত জনপ্রিয় SUV টয়োটা ফর্চুনার এবার বড়সড় পরিবর্তনের মধ্যে দিয়ে তৃতীয় প্রজন্মে পা রাখতে চলেছে। নতুন মডেলের ডিজাইনে অনেক বদল আনা হচ্ছে এবং ফিচারও আপগ্রেড করা হচ্ছে। ইতিমধ্যেই নতুন মডেলের টেস্টিং শুরু হয়ে গেছে। আশা করা হচ্ছে, ২০২৬ সালের শেষ দিকে বা ২০২৭ সালের শুরুতে এটি বাজারে আসতে পারে। গোপনে তোলা ছবি এবং বিভিন্ন মিডিয়া রিপোর্ট থেকে এর ডিজাইন ও ফিচার সম্পর্কে কিছু ধারণা পাওয়া গেছে। চলুন দেখে নেওয়া যাক, নতুন ফর্চুনারে কী কী থাকতে পারে।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

নতুন ডিজাইন ও স্টাইলিং

গোপনে তোলা ছবিগুলো থেকে বোঝা যাচ্ছে যে, নতুন ফর্চুনারের মূল কাঠামো একই থাকলেও এর সামনের দিকটা আরও চওড়া হবে এবং বনেট আগের চেয়ে বেশি ফ্ল্যাট হবে। বিশ্ব বাজারে ইতিমধ্যেই বিক্রি হওয়া নতুন প্রজন্মের হিলাক্স (Hilux) থেকে এর ডিজাইনের অনুপ্রেরণা নেওয়া হয়েছে, যা ভারতেও লঞ্চ হবে।

গাড়ির সামনের দিকে একটি বড় গ্রিল, কিছুটা নিচের দিকে বসানো হেডল্যাম্প ক্লাস্টার, নতুন ফগ ল্যাম্প এবং স্লিম LED DRL থাকতে পারে। বাম্পারের ডিজাইনও নতুন হবে। পিছনের ডিজাইন সম্পর্কে এখনও বিশেষ কিছু জানা যায়নি, তবে আশা করা হচ্ছে এতে স্লিম, র‍্যাপ-অ্যারাউন্ড টেইলল্যাম্প এবং নতুন ডিজাইনের বাম্পার থাকবে।

ঝাঁ-চকচকে ইন্টেরিয়র

গাড়ির ভেতরের ছবি এখনও সামনে আসেনি। তবে মনে করা হচ্ছে, নতুন টয়োটা ফর্চুনারের ইন্টেরিয়র নতুন হিলাক্সের মতোই হবে। এতে একটি বড় ১২.৩ ইঞ্চির টাচস্ক্রিন ইনফোটেইনমেন্ট সিস্টেম এবং সম্পূর্ণ ডিজিটাল ড্রাইভার ডিসপ্লে থাকতে পারে। এছাড়াও ওয়্যারলেস ফোন চার্জিং, ৩৬০-ডিগ্রি ক্যামেরা, সানরুফ, এবং ভেন্টিলেটেড ও পাওয়ার-অ্যাডজাস্টেবল সামনের সিটের মতো ফিচারও দেওয়া হতে পারে।

ইঞ্জিন ও পারফরম্যান্স

আশা করা হচ্ছে, ২০২৬ সালের টয়োটা ফর্চুনারে বর্তমান ২.৭ লিটারের পেট্রোল এবং ২.৮ লিটারের ডিজেল ইঞ্জিন বিকল্প দুটিই বজায় রাখা হবে। পেট্রোল ইঞ্জিনটি ১৬৪ bhp শক্তি এবং ২৪৫ Nm টর্ক তৈরি করে। অন্যদিকে, ডিজেল ইঞ্জিন ২০১ bhp শক্তি এবং ৪২০ Nm (ম্যানুয়াল) থেকে ৫০০ Nm (অটোমেটিক) টর্ক জেনারেট করে।

এছাড়াও, ফর্চুনার নিও ড্রাইভ (Neo Drive) মডেলে ২.৮ লিটারের ৪-সিলিন্ডার টার্বোচার্জড ডিজেল মাইল্ড-হাইব্রিড পাওয়ারট্রেনটিও পাওয়া যাবে। বর্তমান মডেলের মতোই এই ইঞ্জিনটি ৬-স্পিড টর্ক কনভার্টার অটোমেটিক ট্রান্সমিশনের সঙ্গে আসবে।