মুক্তিযোদ্ধা কোটায় চাকরি পেয়ে বেআইনি পথ স্ত্রীকে বোন সাজালেন এক শিক্ষক পিসির মেয়েকেও নিয়ে এলেন বেআইনি পথে অভিযোগ দায়ের করেছে বাংলাদেশের শিক্ষাদফতর   


আজবকাণ্ড বাংলাদেশে। বৌকে বোনের পরিচয় দিয়ে মুক্তিযোদ্ধা কোটায় চাকরি বাগিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠল বাংলাদেশে। অভিযুক্ত ব্যক্তি জামালপুরের বাসিন্দা আশারফউল আলম। বর্তমানে চর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সরকারী শিক্ষক তিনি। তাঁর বাবা শহিদুর রহমান ছিলেন মুক্তিযোদ্ধা। শুধু স্ত্রী নয়, নিজের এক পিসির মেয়েকেও তাঁর বাবার পরিচয় দিয়ে বেআইনিভাবে চাকরি পাইয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে আশারফউলের বিরুদ্ধে। দীর্ঘ তদন্তের পর এই অভিযোগে মান্যতা দিয়েছে বাংলাদেশের শিক্ষাদফতর। 

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred


ঢাকা থেকে প্রকাশিত একটি সংবাদপত্রের বয়ান অনুযায়ী, আশারফউলের স্ত্রী নাসরিন আক্তার টুপকার চর সরকারি প্রাথমিক স্কুলের শিক্ষক। আর আশারফের এক পিসির মেয়ে শাপলা আক্তার খেয়ার চর সরকারি প্রাথমিক স্কুলের শিক্ষক। তিনজনই ২০১৬ সালে মুক্তিযোদ্ধা কোটায় সরকারি চাকরি পেয়েছিলেন। তিন জনই বার্থ সার্টিফিকেটসহ একাধিক নথিপত্রে বাবা হিসেবে মুক্তিযোদ্ধা সহিদুর রহমানের নাম উল্লেখ করেছেন। কিন্তু সহিদুর শুধুমাত্র আশারফউলেরই বাবা। একটি সূত্রে পাওয়া খবরে জানান গেছে আশারফউল প্রায় ১০ লক্ষ টাকা ঘুস দিয়ে চাকরির ব্যবস্থা করেছিলেন। আর বেআইনিভাবে চাকরি পেতে স্ত্রীকে বোন সাজাতে পিছপা হননি তিনি।

এই খবর প্রকাশিত হওয়ার পরই নড়েচড়ে বসে বাংলাদেশের শিক্ষা দফতর। শুরু হয় তদন্ত। তার তাতেই প্রমান হয় জাল নথি দাখিল করেই চাকরি করছে আশারফউলের স্ত্রী। ইতিমধ্যেই থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। মামলা করার দিকেই এগিয়ে যাচ্ছে সেদেশের শিক্ষা দফতর। তবে এই ঘটনা সামনে আসার পর দীর্ঘ দিন ধরেই স্কুলে যান না আশারফউল। সমস্ত দিক খতিয়ে দেখেই অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশের শিক্ষা দফতর। আরএই ঘটনা খুবই নিন্দনীয় বলেও মন্তব্য করা হয়েছে সংশ্লিষ্ট দফতরের পক্ষ থেকে। 

"