শেষ হল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর দুদিনের বাংলাদেশ সফর। 'আন্তরিকতা ও উষ্ণ আতিথেয়তা'র জন্য তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও বাংলাদেশের জনগণকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। এদিন তিনি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং রাষ্ট্রপতি হামিদ আনসারির সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি। বাংলাদেশি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বেশ কয়েকটি যৌথ প্রকল্পের উদ্বোধনও করেন তিনি।

সফর শেষে প্রধানমন্ত্রী বাংলায় টুইট করে বলেন, 'আমার সফরকালে বাংলাদেশের জনগণ যে আন্তরিকতা দেখিয়েছে  তার জন্য আমি তাঁদেরকে ধন্যবাদ জানাই। আমি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকেও তাঁর উষ্ণ আতিথেয়তার জন্য ধন্যবাদ জানাই। আমার বিশ্বাস, এই সফর আমাদের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও দৃঢ় করবে।'

তার আগে আরও একটি বাংলা টুইটে প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে তাঁর সাক্ষাৎ অত্যন্ত ফলপ্রসূ হয়েছে। ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের সকল বিষয়েই তাঁরা বিস্তৃত পর্যালোচনা করেছেন। সম্পর্কের ভবিষ্যত নিয়েও আলোচনা করেছেন তাঁরা। এদিন দুই প্রধানমন্ত্রী একত্রে কুষ্টিয়া জেলার শিলাইদহে রবীন্দ্র ঊবন কুঠিবাড়ি, নলিকাটা-সায়দাবাদ, রিঙকু-বাগান বাড়ি, ভোলাগঞ্জ-ভোলাগঞ্জ - তিনটি বর্ডার হাট এবং রুপ্পুর শক্তিকেন্দ্রের উদ্বোধন করেন। এদিন ১২ লক্ষ ডোজ করোনা ভ্যাকসিও হাসিনার হাতে তুুলে দেন মোদী।

এছাড়া দুর্যোগ মোকাবিলা, ক্রীড়া ও যুব বিষয়ক, বাণিজ্য, প্রযুক্তি এবং আরও অনেকগুলি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে দুইদেশ মউ স্বাক্ষর করে। প্রধানমন্ত্রী মোদী জানিয়েছেন, 'এগুলি আমাদের উন্নয়নের অংশীদারিত্বকে শক্তি যোগাবে এবং আমাদের দুই দেশের মানুষদের, বিশেষত যুবকদের উপকৃত করবে।' বাংলাদেশি রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদের সঙ্গেও এদিন বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী মোদী।