করোনাভাইরাস পরীক্ষার জন্য নমুনা দেওয়ার কথা ছিলসেই মতো ফর্ম পূরণও করেছিলেনব্যস্ততার কারণে শেষ পর্যন্ত তা দিতে পারেননিকিন্তু তাকেই ঘোষণা করা হল করোনা পজিটিভ

করোনাভাইরাস পরীক্ষার জন্য নমুনা দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু ব্যস্ততায় আটকে যাওয়ায় তিনি নমুনা দেওয়ার জন্য হাসপাতালে যেতে পারেননি। তাও পরেরদিন তাঁকে ফোন করে জানানো হল, তিনি করোনাভাইরাস পজিটিভ। এমনই চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে বাংলাদেশের ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলায়।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

জানা গিয়েছে মঙ্গলবার এই বাংলাদেশে যে কয়জন করোনা রোগী হিসেবে চিহ্নিত হয়েছেন, তাঁদের মধ্যে রয়েছে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার তোহিদুল ইসলাম নামে এক যুবক। আর তাতে যারপরনাই বিস্মিত তোহিদুল। তিনি জানিয়েছেন, তাঁর দেহে করোনাভাইরাসের কোনও উপসর্গ ছিল না। কিন্তু, ৩ জুন আরও চার বন্ধুর সঙ্গে তিনিও জেলার সদর হাসপাতাল থেকে দেওয়া নির্ধারিত করোনা পরীক্ষার ফর্ম পূর্ণ করেছিলেন।

৪ জুন দুপুরে তাঁদের নমুনা দেওয়ার জন্য হাসপাতালের নমুনা সংগ্রহ বুথে যেতে বলা হয়েছিল। কিন্তু ওই দিন জরুরি কাজে আটকে যাওয়ায় তিনি বা তাঁর চার বন্ধুর কেউই হাসপাতালে যেতে পারেননি। তারপরও মঙ্গলবার হাসপাতাল থেকে তোহিদুলকে ফোন করে বলা হয় তিনি করোনা পজিটিভ। তাঁর বাকি চার বন্ধুর কাছে অবশ্য এমন চনকে দেওয়া ফোন আসেনি। তোহিদুলের প্রশ্ন, তিনি যেখানে নমুনাই দেননি, সেখানে পজিটিভ কীভাবে চিহ্নিত করা হল তাঁকে? আপাতত তাঁকে হোম আইসোলেশনে রাখা হয়েছে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদর হাসপাতালের সুপার ডাক্তার শওকত হোসেন বলেছেন, কী কারণে এমনটা হয়েছে হাসপাতালের পক্ষ থেকে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। নমুনা সংগ্রহের দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিদের ভুল হয়ে থাকলে তাও খুঁজে বের করা হবে।

বাংলাদেশে এখন করোনাভাইরাস রোগীর সংখ্যা ৭৪,৮৬৫। এই তালিকায় এখন তারা চিনের পরি রয়েছে। মৃত্যু হয়েছে ১০১২ জনের। সুস্থ হয়ে উঠেছেন ১৫,৯০০ জন। তবে েই ঘটনা বাংলাদেশে পরীক্ষা কতটা ঠিক করে হচ্ছে তাই নিয়ে প্রশ্ন তুলে দিয়েছে।