পুলিশের কথা অমান্য করে রাস্চায় নেমে প্রচারে বিজেপি তারকা প্রার্থী শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায়। তাঁর এই আচরণেই নাকি ক্ষুব্ধ বিভিন্ন মহল। এবার কমিশনের থেকে রিপোর্টও তলব করা হয়। এখানেই শেষ নয়, পাশাপাশি বেহালার পর্ণশ্রী থানায় জামিন অযোগ্য ধারাতে শ্রাবন্তীর বিরুদ্ধে দায়ের করা হয় এফ আই আর। 

আরও পড়ুন- গঙ্গার ছায়া এবার জলঙ্গিতে, ফেসবুক লাইভ করতে গিয়ে নদীতে তলিয়ে গিয়ে কিশোরের মৃত্যু

ঠিক কী ঘটেছিল-

নিবার চতুর্থ দফার ভোট। সেই দিনই অন্যতনম তারকা প্রার্থী হলে শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায়। সদ্য তিনি যোগ দিয়েছেন বিজেপিতে। প্রার্থী তালিকা প্রকাশ্যে আসার পরই সামনে উঠে আসে শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায় লড়াই করছেন বিজেপির হয় বেহালা থেকে। শনিবার ভোটগ্রহণ, তাই বৃহস্পতিবার বেলাতেই প্রচার শেষ করতে হবে। এমনটাই নিয়ম নির্বাচন কমিশনের। 

সেই কারণেই বৃহস্পতিবার শেষ প্রচারে বেড়িয়ে সকলকে শেষ বারের জন্য ভোটটা তাঁকে দেওয়ার অনুরোধ জানাতে ব়্যালি বের করার কথা ছিল শ্রাবন্তীর। এখানেই শেষ নয়। পাশাপাশি এই প্রচারে তাঁর সঙ্গে থাকার কথা ছিল মিঠুন চক্রবর্তীর। কিন্তু বেলাতেই আসে বাধা। মুহূর্তে সেখানে পৌঁছে যায় স্থানীয় পুলিশ। জানিয়ে দেয় ব়্যালি করা যাবে না। কোনও নির্দেশ আছে কি না জানতে চাইলে নিরব থাকে পুলিশ। মিঠুন চক্রবর্তী শ্রাবন্তীকে সাত সকালে ফোন করে জানান, মধ্য রাতে অনুমতী খারিজ করে নেওয়া হয়েছে। তিনি আরও জানান, শ্রাবন্তী যেন এই নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। 

এরপরই সরব হন শ্রাবন্তী। সোশ্যাল মিডিয়ায় তিনি লাইভে এসে সাফ জানিয়ে দেন, তাঁকে প্রচার করতে দেওয়া হচ্ছে না। হাতে আর কিছুক্ষণ আছে। এই সময়টা শুধু শুধু নষ্ট করে দিচ্ছে পুলিশ। এটা চক্রান্ত বলেই দাবী করেন তিনি। মিঠুনকে নিয়ে এই প্রচার না হওয়ায় রীতিমত বিক্ষোভের পরিস্থিতি তৈরি হয়। বারে বারে শ্রাবন্তী প্রশ্ন তোলেন, ঠিক কোন গ্রাউন্ডে তাঁদের আটকানো হচ্ছে! সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে পড়ে ভিডিও। তিনি দীর্ঘক্ষণ থানায় অপেক্ষা করার পরও ওসির সঙ্গে দেখা করার কোনও ব্যবস্থাই করা হয়নি বলে ভিডিওতে সাফ তুলে ধরেন শ্রাবন্তী। 

 

এরপরই অভিনেত্রী নেমে আসেন রাস্তায়। মিডিয়ার সামনে কথা বলে জানান, তাদের কোনও নিষেধাজ্ঞার কাগজ এখনও দেখানো হয়নি। যার ফলে তাঁরা মুখের কথায় সময় নষ্ট করতে পারবে না, এবং প্রচারে নেমে পড়ে। এতেই শুরু বিপত্তি। যার জেরে পুলিশের দাবী তারা এফআইআর করতে বাধ্য হয়েছে। যদিও বিষয়টি এখনও খতিয়ে দেখবে কমিশন।