সাধারণত নিজের হটনেসেই সর্বদা নেটদুনিয়াকে হাচের মুঠোয় রাখেন ঋতাভরী চক্রবর্তী। 'ওগো বধূ সুন্দরী'র ধারাবাহিকের ঋতাভরী এবং এখনকার ঋতাভরীর মধ্যে আকাশ পাতাল তফাত। ওয়ার্ক আউট করে, নিজেকে টোনড বানিয়ে তিনি এখন টলিউড অভিনেত্রীদের মধ্যে অন্যতম। বলিউডে 'পরী' ছবিতে কাজ করে মন জিতে নিয়েছেন অসংখ্য মানুষের। দর্শকমহল তাঁকে ইন্টারনেট সেনসশেন বলেই তকমা দিয়ে ফেলেছে। 

তবে এবার সংবাদ শিরোনামে তাঁর নাম উঠে এল অন্য কারণে। মানসিক ভারসাম্যহীনতা, মানসিক দিক দিয়ে মানুষের সুস্থ থাকা উচিত, এই ধরণের নানা বার্তা নিয়ে একটি বিশেষ পোস্ট করেছিলেন ঋতাভরী। তিনি সমাজসেবিকা হিসেবে পরিচিত। নিজের বিভিন্ন স্কুলও তিনি চালনা করেন যেখানে এই ধরণের ছেলেমেয়েরা পড়াশোনা করে। এই ধরণের জগতের সঙ্গে যুক্ত থেকে সম্প্রতি এক ক্লিনিকের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তিনি। 

আরও পড়ুনঃকখনও লং স্কার্ট, কখনও হট প্যান্ট, ক্যামেরা অন থাকাতেই মধুমিতার পোশাক বদল

 

একজন স্পেশ্যাল চাইল্ডের সঙ্গে চিকিৎসালয়ের উদ্বোধন করেন তিনি। গোটা বিষয়টি নেটিজেন এবং ভক্তদের মুগ্ধ করেছে। তবে এরই মাঝে নিন্দুক তো থাকবেই। তাঁর পোশাক নিয়ে ঋতাভরীকে তপ দেগেছে এক নেটিজেন। তাঁর কথায়, ঋতাভরীর এমন ছোট পোশাক পরা উচিত হয়নি। হাঁটুর বেশ খানিকটা উপরে প্রায় অনাবৃত উরু বলা যেতে পারে। এমনই এক পোশাক পরে এসেছিলেন অনুষ্ঠানে। সকলের সামনেই পায়ের উপর পা তুলে বসে তিনি। সেই ছবি দেখেই এক নেটিজেন তাঁকে তথাকথিত 'সভ্যতা'র পাঠ পড়ায়। বলে, "আচ্ছা এটা কি ড্রেসস পড়েছেন।সুন্দর একটা ড্রেস পরে গেলে হতো না।" এর কোনও উত্তর ঋতাভরী দেননি।