বলি অভিনেতা সুশান্তের মৃত্যর খবরে বলি থেকে সকলেই যেন স্তম্ভিত। তার মৃত্যুতে অনেকেই প্রশ্নের মুখে পড়েছেন, আবার উঠে এসেছে বলি মহলের অন্ধকার দিক। তবে শুধু বি-টাউনেই নয়, টলিপাড়াতেও  এই যথেষ্ঠ প্রভাব রয়েছে। তার মৃত্যুর পিছনে দায়ী মানসিক অবসাদ নিয়ে টলি অভিনেত্রী নিজেদের অভিজ্ঞতা শেয়ার করেছেন। সেই তালিকাটাও বেশ দীর্ঘ। সম্প্রতি কয়েকদিন আগে ডিপ্রেশন নিয়ে নিজের ইউটিউব চ্যানেল থেকে আলোচনায় সরব হয়েছিলেন টলি অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্র। এবার টলিপাড়ার কালো দিক নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন অভিনেত্রী।

আরও পড়ুন-উন্মুক্ত বক্ষের নেকলাইন নেমেছে নাভির তলানিতে, কটাক্ষের জবাবে কী বলেছিলেন মা মধু চোপড়া...

শ্রীলেখা মিত্র মানেই নেটদুনিয়ার হট সেনসেশন। পুরুষদের ঘুম উড়াতে তিনি বেশ  সিদ্ধহস্ত।যত দিন যাচ্ছে ততই যেন লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে অনুরাগীর সংখ্যা। তার প্রতিটি ছবিতেই লাইক ও কমেন্টের সংখ্যা আকাশছোঁয়া। সেই প্রাণবন্ত অভিনেত্রীকেও গ্রাস করেছে মানসিক অবসাদ। এই রোগটা বড্ডই জটিল।  শ্রীলেখা মিত্র নিজেই একজন ডিপ্রেশনের শিকার। বহু দিন ধরে এই রোগটির সঙ্গে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন অভিনেত্রী।তাহলে সুশান্তের মানসিক অবসাদের কারণ আর শ্রীলেখা কারণ কি একই, তা নিজেই খোলসা করেছেন অভিনেত্রী। দেখে নিন ভিডিওটি।

 

 

আরও পড়ুন-খাওয়া দাওয়া প্রায় বন্ধ, ছবি আকড়ে অঝোরে কেঁদেই চলেছে সুশান্তের প্রিয় পোষ্য...

ইন্ডাস্ট্রির যখন তিনি প্রথম এসেছিলেন, তখন সম্পূর্ণ নিজের চেষ্টাতেই এই জায়গাটি তৈরি করে নিয়েছিলেন। তাই সুশান্তের সঙ্গে নিজেকে আরও বেশি করে রিলেট করতে পারছেন বলে জানিয়েছেন শ্রীলেখা।এবার নিজের কেরিয়ার শুরুর কথা নিয়ে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন অভিনেত্রী। তিনি জানিয়েছেন ইন্ডাস্ট্রিতে তার কেউ নেই, এমনকী আগেও ছিল না আর এখনও নেই।আমার সঙ্গে তেমনটাই হয়েছিল। প্রথমদিকে আমিও কোনও নায়িকার চরিত্র পাই নি। তখন ইন্ডাস্ট্রিতে প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের বোনের চরিত্রে অভিনয় করেছি। কিন্তু আমি জানতাম আমি নায়িকা হওয়ার যোগ্য, বলে জানিয়েছেন শ্রীলেখা।এরকম ভাবেই দিনের পর দিন ইন্ডাস্ট্রি আমায় এড়িয়ে চলেছে। সেকেন্ড লিডের চরিত্রে অভিনয় করতে হয়েছে শ্রীলেখাকে। সুতরাং বলি ইন্ডাস্ট্রিই নয়, টলি ইন্ডাস্ট্রিতেও নেপোটিজম ছিল আছে এবং থাকবে। এছাড়াও ধারাবাহিকেও রয়েছে এই  সমস্যা। এমনকী  তিনি এও জানিয়েছেন, সুইসাইড করে কি এবার প্রমাণ করতে হবে তিনি কষ্টে রয়েছেন, বিস্ফোরক বয়ান শ্রীলেখার।