অনেকেরই মাথায় আসতে পারে ভ্যালেন্টাইস ডে, মাদার্স দে, ফাদার্স ডে তো হল, এ আবার কোন নতুন দিবস! না, এ কোনও নতুন সংযোজন নয়। আমাদের দেশে রাখি বন্ধন, ভাইফোঁটায় চাপা পরে থাকা ওয়ার্ল্ড শিবলিং ডে। যা বিশ্ব জুড়ে পালিত হয় ১০ই এপ্রিল।

এমনই একদিনে টলিউডের দুই তারকা বোন প্রকাশ্যে বললেন পর্দার আড়ালে লুকিয়ে থাকা তাদের খুনসুটি সম্পর্কের কথ, বিদিপ্তা চক্রবর্তী ও সুদীপ্তা চক্রবর্তী। একজন ছোট পর্দার জনপ্রিয় মুখ তো অপরজন বড় পর্দায় অধিকাংশ ছবিরই অবিচ্ছেদ্য অংশ। সারাদিনে কতটা কথা হয় দুজনের!-প্রসঙ্গে বিদীপ্তা বললেন, কথা হয় ঠিকই তবে সেখানে চলচ্চিত্র জগতের প্রসঙ্গ ওঠে কম, বিপরীতে বাড়ির ছোটদের স্কুল, পরিবার, মায়ের দেখাশুনা এগুলোই মূল্য পায় অধিক। ছবির চিত্রনাট্য নিয়ে খুব বেশি আলোচনা হয় না বললেই চলে। আমাদের মধ্যে নেই কোনও রেষারেষির সম্পর্ক। বোনের একটা ছবি প্রেক্ষাগৃহে চলছে ও অপরটি মুক্তি পেতে চলেছে। তেমনই আমারও একটি ছবি চলছে সমারহে।

সবমিলিয়ে ছোট পর্দা ও বড় পর্দায় এক কথায় দাপিয়ে বেড়ানো এই দুই বনের খুনসুটির গল্প অতি সাধারণ। বিদীপ্তা চক্রবর্তী মজার ছলে আরও বলেন, বোনকে আপনারা যা দেখেন ও তাই, ডানপিটে। কিন্তু আমি যেমন চরিত্রে অভিনয় করি বা যেভাবে থাকি, আমি মোটেও তেমনটা নই। আমি হলাম এক কথায় মিচকে।

মনোমালিন্য ঝগরাঝাটির বিষয় এক কথায় উত্তর দিলেন সুদীপ্তা, আমাদের মধ্যে ঝগরা ঝাটির কোনও বিষয়ই নেই। হিংসার বিষয়ই আসেনা। বিদিপ্তার কথায়, যেহেতু ও ছবিটা বেশি করে, তাই আমার কাছে ছবির প্রস্তাব আসলে সবার আগে ফোনটা আমি বোনকেই করি, তেমনই ওর কাছে টেলিভিশনের প্রস্তাব আসলে সবার প্রথম ফোনটা আমিই পেয়ে থাকি।

মোটের ওপর টলিউডে এখন সুদীপ্তা বিদীপ্তা এক জনপ্রিয় নাম। অভিনেতা প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় হাসির ছলে এ প্রসঙ্গে বলেই ফেললেন এখন একটা বাংলা ছবি তৈরি করতে লাগে একটা ক্যামেরা, গল্প, পরিচালক ও সুদীপ্তা চক্রবর্তী।

ভাই বোন বা বোন বোনর সম্পর্কে টানাপোড়েন থাকতেই হবে এমনটা কখনই কাম্য নয়। জ্যৈষ্ঠপুত্র ছবির ট্রেলার লঞ্চে এসে দুই বোন শেয়ার করলেন বিনোদন জগতের সঙ্গে যুক্ত থেকেও যে কিভাবে পারিবারিক সক্ষতা বজায় রাখতে হয়।