বাংলা চলচ্চিত্র জগতের অভিনেত্রী হওয়ার পাশাপাশি তৃণমূল সাংসদ মিমি চক্রবর্তী কিছু না কিছু করে লাইমলাইটে থাকেন। সাংসদ তথা অভিনেত্রী প্রতি মুহূর্তেই সোশ্যাল মিডিয়ায় অ্যাকটিভ থাকুন। অভিনেত্রীর হওয়ার পাশাপাশি বেশ কিছু দায়িত্বও বেড়েছে তার। যাদবপুর এলাকার সাংসদ হবার পরেও তার কাজের দায়িত্ব যেনও আরও বেড়ে গিয়েছে।  প্রতিদিনই নানান ব্যস্ততার মধ্যে তার সময় কাটছে। বিপুল ভোটে জয়ী হলেও  একবার  নয়, একাধিকবার খবরের শিরোনামে  উঠে এসেছে তার নাম।  আবারও নয়া বির্তকে উঠে এসেছে তার নাম। 

আরও পড়ুন-দৈত্যকার বড় প্যাঁচা দেখেছেন কখনও, দেখে নিন সুস্মিতার এই ছবিতে...

সম্প্রতি একটি তেলের বিজ্ঞাপনে দেখা গিয়েছে মিমিকে। আর সেই বিজ্ঞাপন থেকেই হয়েছে সমস্যার সূত্রপাত। তেলের বিজ্ঞাপনে 'জনপ্রতিনিধি' পরিচয় ব্যবহার করেছেন মিমি। আর সেখান থেকেই মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে  'অফিস অব প্রফিট' বির্তক। এই আইনের আওতায় মিমির সাংসদপদ খারিজ হবে কিনা তা নিয়েও বিশেষজ্ঞদের মধ্যে দ্বন্দ্ব রয়েছে।  এই বিজ্ঞাপন নিয়ে অন্য দলের সাংসদ তথা সদস্যরা  সুর চড়িয়েছেন।  এই ঘটনাকে অনেকে নজিরবিহীন ঘটনা বলেও দাবি করেছেন।

 

আরও পড়ুন-অবশেষে এল মাহেন্দ্রক্ষণ, উন্মাদনার পারদ চড়িয়ে মুক্তি পেল 'দ্বিতীয় পুরুষ'...

বিজ্ঞাপনের এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে  তাকে নিয়ে ইতিমধ্যেই অনেক জলঘোলা হয়েছে।  কিন্তু তৃণমূলের পক্ষ থেকে মিমি চক্রবর্তীর এই বিজ্ঞাপন নিয়ে কোনওরকম মন্তব্য করতে দেখা যায়নি। তার দলের তরফ থেকেও কোনও প্রতিক্রিয়া জানা যায়নি। দীর্ঘদিন ধরেই এই বিজ্ঞাপন কোম্পানীর সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন সাংসদ অভিনেত্রী মিমি। এতদিন অভিনেত্রী কিংবা তারকা পরিচয়েই তিনি এই বিজ্ঞাপনের প্রচার চালিয়ে গেছেন। কিন্তু হঠাৎ করেই 'জনপ্রতিনিধি' ব্যবহার করেই কড়া সমালোচনার মুখে পড়েছেন অভিনেত্রী। এই বিতর্কের উত্তরে মিমি জানিয়েছেন, 'তাকে যা বলা হয়েছিল তাই তিনি বলেছেন। কিন্তু সমস্যা বাড়লে বিতর্কিত অংশ বাদ দেওযারও কথা বলেছেন তিনি।'