লকডাউনের চতুর্থ দফার পরই মিলেছিল ছাড়পত্র। শুরু করা যাবে শ্যুটিং। তবে মেনে চলতে হবে গাইডলাইন। এই মর্মে একটি ১৬ পাতার দীর্ঘ গাইডলাইনও প্রকাশ করা হয়। সেই মতই ২ জুলাই বৈঠক ডাকা হয়েছিল টলিউডে। সেখানে আলোচনার মাধ্যমে সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা ছিল ঠিক কবে থেকে কী কী গাইডলাইন মেনে শুরু করা হবে শ্যুটিং। কিন্তু সেই বৈঠকেই শুরু হয় মনোমালিন্য। বৈঠক ছেড়ে বেড়িয়ে যান অভিনেতা পরমব্রত চট্টোপাধ্যায় ও ইম্পার সভাপতী পিয়া সেনগুপ্ত। 

আরও পড়ুনঃ সহ্য করব না বর্ণ বৈষম্য, জর্জের মৃত্যুর বিচার চাই, গর্জে উঠলেন মিথিলা

দীর্ঘ দুই মাস টানা বন্ধ ছিল শ্যুটিং। ইতিমধ্যেই ক্ষতির মুখ দেখেছেন সকলেই। অনেক তারকা ও কলাকুশলিদেরই দিন কাটছে অনিশ্চয়তার মধ্যে দিয়ে। এমন সময় মঙ্গলবারের এই বৈঠকে ছবি, ওয়েব ও ধারাবাহিক নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু সেখানে ধারাবাহিক নিয়েই দীর্ঘ আলোচনা হয়। ফলে সেখান থেকে বেড়িয়ে যান পরমব্রত, পিয়া সেনগুপ্ত ও ঋতব্রত ভট্টাচার্য। এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন ফিল্ম ফেডারেশনের সকলেই। 

আরও পড়ুনঃ ম্যাগাজিনের কভারেই কেল্লাফতে, অমিতাভের মন জিতেছিলেন জয়া, কীভাবে শুরু প্রেমপর্ব

এদিন বৈঠকের মাঝে উঠে আসে কীভাবে শ্যুট করা হবে ধারাবাহিক, মুখে মাস্ক পরে শ্যুট করতে সমস্যা, তাই সেটে উপস্থিত থাকবন সর্বাধিক ছয়জন। কোনভাবে কাউকে স্পর্শ করা যাবে না। শ্যুট বন্ধ হলেই মাস্ক পরে থাকা বাধ্যতা মূলক। খোলা এলাকা, যা কন্টাইনমেন্ট জোনে পড়ছে, সেখানে শ্যুট করা যাবে না। সেটে থাকবে থার্মাল গানের ব্যবস্থা, থাকবে স্যানিটাইজার প্রভৃতি। একদিকে যেমন ধারাবাহিক নিয়ে আশার আলো দেখছেন কলাকুশলিরা, ঠিক তেমনই ছবি নিয়ে এখনও কাটল না ধোঁয়াশা। ৪ জুন পরবর্তী বৈঠকের দিন স্থির করা হয়েছে। সেদিন এই নিয়ে আলোচনা করা হবে বলে জানানো হয় ফেডারেশনের পক্ষ থেকে।