বাংলায় রাণু ফিবার কাটতে না কাটতেই ফের ভাইরাল হলেন বাংলার এক প্রতিভা। তবে রাণুর থেকে এর গল্পটা যেন অনেকটাই আলাদা। জন্ম থেকেই চোখে দেখতে পায় না বাংলার ছেলে অবিনাশ বাউরি। অন্ধত্ব একটু একটু করে গ্রা, করছিল অবিনাশকে। শেষমেষ অন্ধত্বের যন্ত্রণা সহ্য করতে না পেরে বেছে নিয়েছিলেন আত্মহত্যার পথ। কেরোসিন জ্বালিয়ে নিজেই জ্বালিয়ে দিয়েছিলেন নিজের মুখ। কিন্তু ভাগ্যের জোরে বেঁচে যান অবিনাশ। একেই বলে ভাগ্যের পরিহাস।

আরও পড়ুন -মলদ্বীপের নীল সাগরে মন্দিরার বিকিনি শ্যুট, দেখুন সেরা ৬ ছবি...

কথায় বলে ঈশ্বর একদিকে না দিলেও অন্যদিক দিয়ে সেই খালি জায়গাটা পূরণ করে দেয়। ঈশ্বর কাউকে নিরাশ করেন না। অবিনাশের ক্ষেত্রেও তেমনটাই ঘটেছে। জন্ম বাকুড়ায়। মধ্যবিত্ত পরিবারের ছেলে। জন্ম থেকে অন্ধ হলেও গলায় যেন ছিল ম্যাজিক।  আর এমনই সেই ম্যাজিক সুদূর মুম্বাইয়ের বিচারকদেরও চোখে জল এনে দিয়েছে। এত সুন্দর গানের গলা যে একপ্রকার মুগ্ধ হয়েই শুনেতে হবে অবিনাশের গান।

 

একসময় রাণু মন্ডলকে নিয়েও যেমন মাতামাতি হয়েছিল। সোশ্যাল মিডিয়া খুললেই বেরিয়ে আসছিল রাণুর সেই বিখ্যাত গান 'তেরি মেরি কাহানি'। ঠিক তেমনই গান গাওয়ার মুহূর্তের মধ্যেই ভাইরাল হয়েছে বাংলার প্রতিভা অবিনাশের গানের ভিডিও। 'ইন্ডিয়ান আইডল সিজন ১১'-এর  অডিশন পর্বে অবিনাশের গাওয়া রাহাত ফতে আলি খানের 'তু না জানে আশপাশ হ্যায় খুদা' গানটি ভাইরাল হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। গানের গলা শুনে প্রশংসায় পঞ্চমুখ নেটিজেনেরা। এটিই শুধু নয়, আরেক কালজয়ী গান 'তেরে তেরে মস্ত মস্ত দো নয়ন' গানটি গেয়েও বিশাল জনপ্রিয়তা পেয়েছে অবিনাশ। অডিশন মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন শো-এর তিন বিচারক অনু মালিক, নেহা কক্কর, বিশাল দাদলানি। বাবা তপন বাউরিকে নিয়ে সেই মঞ্চে পৌঁছে গিয়েছিলেন অবিনাশ। অডিশন মঞ্চে অবিনাশের এই গান শুনে আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন নেহা। এর পাশাপাশি তার জীবনযন্ত্রণার কথা শুনেও বিচারকদের চোখে জল আসে।