সলমন খান এবং ভাগ্যশ্রী সে সময় দুজনেই ছিলেন নিউকামার। নেপটিজমে নাকি ছাড় পেয়ে যায় স্টারকিডরা। তবে সলমনের ক্ষেত্রে তেমনটা একেবারেই হয়নি। সেলিম খানের ছেলে হিসেবে তাঁকেও নানা কুরুচিকর মন্তব্যের সম্মুখীন হতে হয়েছিল। ম্যয়নে প্যায়ার কিয়া ছবি মুক্তির সময় তাঁদের একটি ফোটোশ্যুট করেছিল একজন তাবড় ফোটোগ্রাফার। নিউকামার দেখেই সলমনকে সরাসরি সেই ক্যামেরাম্যান বলেন, ছবি তোলার সময় ভাগ্যশ্রীকে টেনে চুমু খেতে। সলমন প্রথমে কথাটি মন দিয়ে শোনেন তারপরই ক্ষোভে ফেটে পড়েন অভিনেতা।

আরও পড়ুনঃকরোনা প্রকোপের মাঝেই বাবাকে হারালেন প্রীতম, শোকাহত বলিউড

ম্যয়নে প্যায়ার কিয়া ছবি মুক্তির তিরিশ বছর পর মুখ খুললেন ভাগ্যশ্রী। সেই ফোটোগ্রাফারের নাম না নিয়েও বিস্ফোরক হয়ে ওঠেন ভাগ্যশ্রী। সলমন সেই সময় এই প্রস্তাবে এতটাই রেগে গিয়েছিলেন যে তিনি সেই ফোটোগ্রাফারকে বলেন, "এমন কোনও প্রস্তাবে আমি রাজি নই। আমার পক্ষে এই কাজটা করা সম্ভব না। আপনার যদি এমন কিছু করার ইচ্ছে থাকে। তাহলে ভাগ্যশ্রীকে জিজ্ঞেস করুন।" সেই ফোটোগ্রাফার যদিও এখনও জীবিত নেই। 

আর পড়ুনঃ'বিরাট কোহলির অনুষ্কাকে ডিভোর্স দেওয়া উচিত', ভিডিওতে বিস্ফোরক বিজেপি এমএলএ নন্দকিশোর

বিষয়টি সেই ফোটোগ্রাফার যদি দুজনের সঙ্গেই কথা বলে নিয়ে তাঁদের এই প্রস্তাবটি দিতে তাহলে ভাগ্যশ্রী কিংবা সলমন কেউই রেগে যেতেন না। ফোটোগ্রাফারটি চেয়েছিলেন ভাগ্যশ্রীর অনুমতি ছাডা়ই বিষয়টি হঠাৎ করে ঘটুক। সেই মুহূর্তকেই ক্যাপচার করবেন তিনি। নিউকামার বলেই সেই ফোটোগ্রাফার এমন প্রস্তাব রাখার সাহস পেয়েছিলেন। ভাগ্যশ্রী এও জানান, "সলমন যখন এই কথাগুলো সেই ফোটোগ্রাফারকে বলছিল, ও জানত না যে আমি কাছেই দাঁড়িয়ে ছিলাম সব শুনতে পাচ্ছিলাম। সলমনের কথা শুনেই মনে হল আমি একদম সুরক্ষিত জায়গায় রয়েছি।"