রবীন্দ্রসঙ্গীতের ব্যবহার বলিউডে নতুন নয়। বহু ছবিতে বিভিন্ন সময় ব্যবহার করা হয়েছে বিশ্বকবির গান। কখনও কথা, কখনও সুর। তবে বলিউডের এমন কিছু গান রয়েছে যা রবীন্দ্রসঙ্গীত দ্বারা অনুপ্রাণিত। অভিমান থেকে শুরু করে আফসর ছবি। ঘুরে ফিরে এসেছে চেনা গানের বোল, এসেছে চেনা ছকে বাঁধা সুর। সেদিন দুজনে থেকে শুরু করে খরবায়ু, গানে ছন্দে তা হয়ে উঠেছে নতুন...। বলিউডের বহু পরিচালকই রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচনায় অনুপ্রাণিত, শিল্পকলা জগত সমৃদ্ধ তাঁর সৃষ্টিতে। শচীনদেব বর্মন থেকে শুরু করে হেমন্ত মুখোপাধ্যায়, প্রতিটা মুহূর্তে তাঁদের ছুঁয়ে থাকত রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অবদান। 

আরও পড়ুনঃ লকডাউনে 'রবীন্দ্র জয়ন্তী', রবি স্মরণে টলি তারকাদের একঝলক

সেদিন দুজনেঃ ছবির নাম আফসর, মুক্তি পেয়েছিল ১৯৫০ সালে। শচীন দেব বর্মনে পরিচালনাতে গানটি গেয়েছিলেন সুরাইয়া। সেদিন দুজনে দুলে ছিনু বনে থেকে নেওয়া এই গানের সুর।

খরবায়ুঃ ছবির নাম জলজলা। ছবিটি মুক্তি পেয়েছিল ১৯৫২ সালে। পঙ্কল মল্লিকের পরিচালনাতে গানটি গেয়েছিলেন কুন্দন লাল সেইগল। রবীন্দ্র সঙ্গীত খরবায়ু থেকে নেওয়া এই গানের কথা ও সুর। 

মন মোর মেঘের সঙ্গীঃ ছবির নাম মেরা বেটা। ছবিটি মুক্তি পেয়েছিল ১৯৬২ সালে। হেমন্ত কুমারের পরিচালনাতে এই গানটি গেয়েছিলেন লতা মঙ্গেশকর। রবীন্ত্রসঙ্গীত মন মোর মেঘের সঙ্গী থেকে নেওয়া এই গানের কথা ও সুর। 

যদি তারে নাই চিনিঃ ছবির নাম অভিমান। ছবিটা মুক্তি পেয়েছিল ১৯৭৩ সালে। শচীনদেব বর্মনের পরিচালনাতে গানটি গেয়েছিলেন কিশোর কুমার ও লতা মঙ্গেশকর। রবীন্দ্রসঙ্গীত যদি তারে নাই চিনি গো থেকে নেওয়া এই গানের সুর। 

করোনা মোকাবিলায় রক্ষা করুন নিজেকে, মেনে চলুন 'হু' এর পরামর্শ

সাবধান, করোনা আতঙ্কের মধ্যে এই কাজ করলেই হতে পারে জেল

কী করে করোনার হাত থেকে রক্ষা করবেন আপনার বাড়ির বয়স্ক সদস্যদের, রইল তারই টিপস

শরীরে কীভাবে থাবা বসায় করোনা, জানালেন বিশেষজ্ঞরা