যে কোনও ছবি মুক্তির আগেই তা পৌঁচ্ছে যায় সেন্সর বোর্ডের কাছে। ছবির কোন অংশ থাকবে, কোন অংশ বাদ পরবে তা নিয়ে শেষ কথা বলে থাকে সেন্সর বোর্ড। ছবির নাম, ধাম সকলই যেন তারই হাতে বাধা পরে রয়েছে। ফলেই বেশ কয়েকবার বিপাকে পড়তে হয়েছিল চলচ্চিত্র নির্মাতাদের। প্রশ্নের মুখে পড়তে হয়েছে কখনও ছবির নামকে কখনও বা ছবির চিত্রনাট্যকে। কোন ছবি পারিবারিক, কোন ছবি প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য তার নির্দেশিকাও দিয়ে থাকে সেন্সর বোর্ড। 

সম্প্রতি এক ছবিকে ঘিরে জল ঘোলা হল, শুরু হল জোড় বিকর্ত। শিশুদের জন্য তৈরি একটি ছবিকে ইউ  দেবে না সেন্সর বোর্ড। খবর প্রকাশ্যে আসা মাত্রই সরব হাইকোর্ট। প্রশ্ন তোলে কোন ছবি কে দেখবে তা ঠিক করার সেন্সর বোর্ড কে! বম্বে হাইকোর্টের বিচারপতি এস সি ধর্মাধিকারি এবং গৌতম পটেলের ডিভিশন বেঞ্চের আক্রমণের মুখে পরে সেন্সর বোর্ড।

এদিন হাইকোর্ট স্পষ্ট ভাষায় বুঝিয়ে দেন বোর্ডের ভ্রান্ত ধারনা তৈরি হয়েছে, যে তারা ছাড়া ছবি বাজারে আসতে পারবে না। তারা ছারা এই বিষয় আর কেউ কথা বলতে পারবে না। সম্প্রতি সমস্যার মুখে পরে চিড়িয়াখানা ছবির নির্মাতারা। সেই ছবিকে পারিবারিক ছবি বলতে নারাজ সেন্সর বোর্ড। তাই জন্যই হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল চিলড্রেনস ফিল্ম সোসাইটি। তারই মামলার রায়তে এমনই মন্তব্য করে বম্বে হাইকোর্ট।