প্রবাদপ্রতিম পরিচালক বাসু চট্টোপাধ্যায়ের মৃত্যুতে শোকের ছায়া বলিউড থেকে শুরু করে টলিউডে। চলচ্চিত্র জগতকে বাস্তব ছবির নেশা ধরিয়েছিলেন তিনি। বাণিজ্যিক ছবির মাঝে তাঁর পরিচালনা যেন সিনেদুনিয়ায় নতুন ঢেউ তুলেছিল। জানা গিয়েছে বার্ধক্যজনিত অসুস্থতায় ভুগছিলেন দীর্ঘদিন। মুম্বইয়ে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন পরিচালক। তাঁর প্রয়াণে শোকজ্ঞাপন করেছেন প্রাধনমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সহ বলিউড এবং টলিউড তারকারা। মোদি ট্যুইটে লিখেছেন, "বর্ষীয়ান পরিচালক শ্রী বাসু চট্টোপাধ্যায়ের মৃত্যুতে আমি অত্যন্ত শোকাহত। ওনার কাজের অসামান্যতা আজও সকলের কাছে অবিস্মরণীয়। দর্শকের মন ছুঁয়ে যেত তাঁর ছবি। মানুষের জটিলতম আবেগগুলিও কত সহজে সিনেপর্দায় তুলে ধরতেন তিনি। ওনার পরিবারের প্রতি আমি সমব্যথী।"

আরও পড়ুনঃনক্ষত্রপতন বলিউডে, চলে গেলেন প্রখ্যাত পরিচালক বাসু চট্টোপাধ্যায়

 

টলিউড পরিচালক অরিন্দম শীল ট্যুইটে লিখেছেন, "রেস্ট ইন পিস বাসু দা। আপনার কাজের মধ্যে দিয়ে চিরজীবন বেঁচে থাকবেন। সেই সময় এমন সুন্দর কাজ দেখতে পাওয়াও ভাগ্যের ব্যাপার ছিল।" সঙ্গীতশিল্পী জিৎ গঙ্গোপাধ্যায় লিখেছেন, "শ্রী বাসু চট্টোপাধ্যায়, যে মানুষ চলচ্চিত্র জগতে এক ভিন্নতার জোয়ার এনেছিলেন।" শ্রীনন্দা সরকার ট্যুইট করেছেন, "ব্যোমকেশ বক্সী। আমার বাড়িতে ব্যোমকেশ বক্সীর সঙ্গীত নিয়ে বেশ কয়েকবার বৈঠক বসে। সেই সময় বাসু চট্টোপাধ্যায়কে দেখেছিলাম। আমি আনন্দ শঙ্করের রেকর্ডিংয়েও গিয়েছিলাম।"

আরও পড়ুনঃপ্রয়াত কিংবদন্তি বাঙালি পরিচালক, গভীর শোকপ্রকাশ মুখ্যমন্ত্রী মমতার

 

অন্যদিকে বলিউডেও শোকের ছায়া। শাবানা আজমি ট্যুইটে লিখেছেন, "বাসু চট্টোপাধ্যায়ের মৃত্যুতে আমি কতখানি শোকাহত তা বলে বোঝাতে পারব না। চলচ্চিত্র দুনিয়ায় বাস্তব জীবন, আবেগকে তুলে ধরতে সক্ষম ছিলেন তিনি। সাধারণভাবে সবকিছু সিনেপর্দায় দেখানো তাঁর পক্ষেই সম্ভব ছিল। আমি নিজেকে সৌভাগ্যবতী মনে করি ওনার তিনটি ছবিতে কাজ করতে পেরে। জিনা ইয়াহা, স্বামী, আপনে পরায়ে।" সুজিত সরকার নিজের প্রথম কাজের কথা লিখে জানান, ইন্ডাস্ট্রিতে প্রথম কাজ তিনি বাসু চট্টোপাধ্যায়ের সহকারী পরিচালক হিসেবেই করেছিলেন। দিল্লির সিআর পার্কে একটি বাংলা ধারাবাহিকের শ্যুটিংয়ে সহ পরিচালক ছিলেন সুজিত। এছাড়াও সুজয় ঘোষ, মধুর ভন্ডারকর, রাম কমল মুখোপাধ্যায়ও ট্যুইটে শোকপ্রকাশ করেছেন।