সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃত্যুর পর জ্বলছে সারা দেশ। সলমন খান, করণ জোহার, সঞ্জয় লীলা বনশালী, একতা কাপুর, মহেশ ভাট, রিয়া চক্রবর্তী সহ উঠে এসেছে বহু বলিউড তারকাদের নাম যাঁরা সুশান্তকে নাকি একঘরে করে দিয়েছিলেন। নেপটিজমের কারণে দাবিয়ে দেওয়া হয়েছিল সুশান্তকে। এমনই দাবি উঠছে চারিদিকে। আর এ কথা মিথ্যে নয়, যে তারকাদের পরিবার থেকে আসা ছেলে-মেয়েরা সুযোগ-সুবিধা চিরকালই বেশি পেয়ে এসেছে। এবার এই ট্রোলিং এবং হেট কমেন্টের শিকার হলেন সদ্যপ্রয়াত অভিনেতা ইরফান খানের ছেলে বাবিল খান। অথচ হেট কমেন্টের অন্য জবাব দিলেন বাবিল। 

আরও পড়ুনঃ'স্বজনপোষণ থাকলেও প্রতিভার জোরে টিকতে হবে এখানে', নেপটিজমে রণবীর কাপুরের মন্তব্য

তাঁর পোস্টে সেই নেটিজেন কমেন্ট করে, "এই তারকার ছেলে-মেয়েদের অবিলম্বে আনফলো করা উচিত। সাধারণ মানুষের জন্য আজ এরা এই জায়গায় পৌঁছেছে। এবার আমাদের সময়, আমরা নিজেদের আওয়াজ তুলি।" বাবিল তাতে লিখেছেন, "ভাই তোমার দৃষ্টিভঙ্গি আমি বুঝতে পারছি। কিন্তু তুমি কি বুঝতে পারছ একজন তারকার ছেলে হওয়া কতটা কঠিন। তাও আবার তেমন অভিনেতা যিনি ভারতীয় চলচ্চিত্র জগতের নক্সা বদলে দিয়েছেন। আমি নিজের প্রতিভার জোরে, কাজে তোমাদের মন জয় করব। কারও কাজ ছিনিয়ে নয়। আমার যাত্রাপথে কোনও ভুল-ত্রুটি বা অন্যায্য কিছু খুঁজে না পাও।" বাবিলের এই জবাব মুগ্ধ করেছে সকলকে। প্রত্যেকের সেখানে একটাই কমেন্ট। এই হল ইরফান খানের ছেলে।

আরও পড়ুনঃশরীরে খবরের কাগজ জড়িয়ে দেবলীনা, ফ্যাশনকে নয়া ব্যাখা দিলেন অভিনেত্রী

 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 

Tb

A post shared by Babil Khan (@babil.i.k) on Oct 20, 2019 at 7:18am PDT

;

 

প্রসঙ্গত, বলিউড অভিনেতা সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃত্যুর পর পরিস্থিতি ক্রমশ ভয়ঙ্কর হয়ে চলেছে। স্বজনপোষণ, স্টারকিডদের প্রতি রোষ, বলিউডের মাফিয়া গ্যাং নিয়ে প্রতিবাদের ঝড় উঠেছে সোশ্যাল মিডিয়ায়।  সোশ্যাল মিডিয়ায় শুরু হয়েছে বয়কট বলিউড মাফিয়া নামে পিটিশন। নেপোটিজমকেও বয়কট করে স্টারকিডদের বিরুদ্ধে চলছে হেট কমেন্টস। ট্রোলার, হেটারদের পোস্টে ভরে চলেছে সোশ্যাল মিডিয়া। সোশ্যাল মিডিয়ায় ট্রোল করার পাশাপাশি, ব্যান করার দাবি উঠছে তাঁদের ছবি। গোটা দেশ এঁদের এবং স্টারকিডদের বিরুদ্ধে ফুঁসছে। সোশ্যাল মিডিয়াকে হাতিয়ার করেই টার্গেট করা হচ্ছে তাঁদের। করণ জোহারের ফলোয়াড়ের সংখ্যা কমেছে এগারো মিলিয়ন থেকে দশ মিলিয়ন। সলমন খান, আলিয়া ভাট, সোনম কাপুরের ফলোয়াড় সংখ্যা কমে চলেছে।