একশো বছর অতিক্রম করে রবীন্দ্রনাথের গান আজও মানুষে অনুপ্রাণিত করে, সময় ও সমাজের বদলে যাওয়া পটভুমিতে বদলাতে ভাকে বিষয়, বদল ঘটে ভাবের। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সৃষ্টির ধারাই চিরন্তন। লিখে গিয়েছিলেন- আজি হতে শতবর্ষ পরে, কে কে তুমি পড়িছ বসি, আমির কবিতাখানি কৌতুহল ভরে...। কবিগুরু জানতেন কালের নিয়মে বদল ঘটলেও তাঁর রচনা যুগে যুগে কালে কালে মানুষের মনে গেঁথে থাকবে। এমনই এক সফরে সামিল একলা চল রে গানটি। 

আরও পড়ুনঃ লকডাউনে 'রবীন্দ্র জয়ন্তী', রবি স্মরণে টলি তারকাদের একঝলক

১৯০৫ সালে প্রথম সকলের সামনে প্রথম আসে এই গানটি। তখন তার নাম ছিল একা। ১৯০৫ সালে বাউল গানে প্রথম প্রবেশ করে একলা চল রে। তবে থেকে এই গানের পথ চলা শুরু। ১৯৪১ সালে এটি একটি পূর্ণাঙ্গ গান হয়ে ধরা দেয়। প্রতিবাদী সেরা ২২ গানের মধ্যে এটি অন্যতম। এরপর বদল ঘটেছে গায়কের, পরিচালকের, বাজনার, টেকনোলজির, তবুও আজও একই ভাবে মানুষের মনে সাড়া জাগায় একলা চলরে। 

গানটি প্রথম সামনে এনেছিলেন রবীন্ত্রনাথ ঠাকুরের ভাইপো এটি প্রথম সামনে আনেন এক প্রকাশিকার মাধ্যমে। গানটির সুর দিয়েছিলেন ইন্দিরা দেবী। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নিজে প্রথম এই গানটি রেকর্ড করেছিলেন। সময়টা ১৯০৫ থেকে ১৯০৮ সালের মধ্যে। প্রথম সিনেমাতে এই গান ব্যবহার হয়েছিল ১৯৪৮ সালে। ছবির নাম ছিল সন্দীপন পাঠশালা। সেখান থেকে শুরু করে ২০১২ সালের কাহানি। অমিতাভ বচ্চনের কণ্ঠে এই গান উঠে আসে এই কালজয়ী গান। 

এদিন বিশ্বকবির প্রতি শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করে অমিতাভ বচ্চন সোশ্যাল মিডিয়ায় করেছিলেন পোস্ট। গুরুদেবকে প্রণাম জানালেন বিগ বি। 

 

 

করোনা মোকাবিলায় রক্ষা করুন নিজেকে, মেনে চলুন 'হু' এর পরামর্শ

সাবধান, করোনা আতঙ্কের মধ্যে এই কাজ করলেই হতে পারে জেল

কী করে করোনার হাত থেকে রক্ষা করবেন আপনার বাড়ির বয়স্ক সদস্যদের, রইল তারই টিপস

শরীরে কীভাবে থাবা বসায় করোনা, জানালেন বিশেষজ্ঞরা