করোনা যুদ্ধে জয়ী হয়েছেন কণিকা কাপুর। সপ্তাহ দুয়েকের চিকিৎসার পর পুরোপুরি সুস্থ হয়ে উঠেছেন। আপাতত লখনউতে নিজের বাড়িতেই রয়েছেন কণিকা। ইনস্টাগ্রামে সম্প্রতি একটি পোস্ট করে খানিক বিস্ফোরক হয়ে উঠেছেন গায়িকা। তিনি লিখেছেন, "আমায় নিয়ে অনেক জল্পনাই হয়েছে। জল্পনাগুলি আরও বেশি বাড়তে থাকে কারণ আমি চুপ থাকাটাই শ্রেয় মনে করেছিলাম। আমি চুপ থেকেছিলাম বলে অনেকেই আমাকেই দোষারোপ করেছিল। কিন্তু আমি ভুল নই। আমার মধ্যে কোনও অসুস্থতার লক্ষণ ছিল না বলেই আমি নিজেকে কোয়ারেন্টাইনে রাখিনি।"

আরও পড়ুনঃ"নুসরত টিকটক করা থামাবেন না", ট্রোলকে তোপে উড়িয়ে জবাব অভিনেত্রীর মুখপাত্রের

তিনি আরও জানান, "আমি যাদের সঙ্গে সেই সময় কনট্যাক্টে এসেছিলাম তাদের প্রত্যেকের করোনা রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছে। ১০ মার্চ দেশে এসেছিলাম। সেই সময় স্ক্রিনিংয়ে কিছুই ধরা পড়েনি। ১৮ মার্চ আমার কাছে ইউকের অ্যাডভাইসরি থেকে কোয়ারেন্টাইনে থাকার উপদেশ এসেছে। তার মাঝখানে আমি বেশ কয়েকটি অনুষ্ঠানে যাই। ১৭ এবং ১৮ তারিখের মধ্যে টেস্ট করাই আমি। তারপরই আমার টেস্ট পজিটিভ আসে।" 

আরও পড়ুনঃনুসরতের ইফতারের এলাহি আয়োজন, দেখে নিন তার ঝলক

প্রসঙ্গত, লন্ডনে ছেলে-মেয়েদের সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন কণিকা। সেখান থেকে দেশে ফিরে বিমানবন্দরে পাওয়া নির্দেশকে বেআইনিভাবে অবমাননা করে পার্টি করে বেডা়ন তিনি। তারই মধ্যে একটি পার্টিতে উপস্থিত ছিলেন বিজোপি সাংসদ বসুন্ধরা রাজে সিন্ধিয়া ও তাঁর ছেলে দুষ্মন্ত সিং। কণিকার করোনা টেস্ট পজিটিভ আসার পর পার্টিতে উপস্থিত থাকা অনেকেই ইতিমধ্যে কোয়ারেন্টাইনে চলে গিয়েছেন। 

 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 

Stay Home Stay Safe 🙏🏼

A post shared by Kanika Kapoor (@kanik4kapoor) on Apr 26, 2020 at 1:50am PDT


লন্ডন থেকে ফেরার পরই সংক্রমক হন তিনি। যা জানার পরও বিভিন্ন অনুষ্ঠানে গিয়েছেন। এই নিয়ে সাংবাদিক বরখা দত্ত মুখ খোলায় কণিকার ভাই বরখাকে ভুয়ো খবর ছড়াতে বারণ করায়। বরখা, কণিকার দায়িত্বজ্ঞানহীনতার কথা বলায় কণিকার ভাই খানিক ক্ষুব্ধই হয়েছেন। বরখার ট্যুইটের পাল্টা ট্যুইটে জবাব দিয়েছেন গায়িকার ভাই যা সম্প্রতি নিজের ইনস্টা স্টোরিতে শেয়ার করেছেন কণিকা।

আরও পড়ুনঃসাবধান, করোনা আতঙ্কের মধ্যে এই কাজ করলেই হতে পারে জেল

আরও পড়ুনঃকী করে করোনার হাত থেকে রক্ষা করবেন আপনার বাড়ির বয়স্ক সদস্যদের, রইল তারই টিপস

আরও পড়ুনঃশরীরে কীভাবে থাবা বসায় করোনা, জানালেন বিশেষজ্ঞরা