মহারাষ্ট্রে প্রথম থেকেই করোনার থাবা তুঙ্গে। হু হু করে বেড়ে চলেছিল সেখানে সংক্রমণের সংখ্যা। তাঁকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে কোনও কাজ করা মানেই বিপদ ডেকে আনা। তাই সেই দিকে কড়া নজর দিয়েই এবার স্বস্তিতে রয়েছে গোটা দেশ। কমছে সংক্রমণের সংখ্যা। কিন্তু তা বলে সতর্কতাতে কোনও ঢিলে ঢালা দিলে চলবে না। এমনই পরিস্থিতি এখন কড়া নিরাপত্তায় ঢেকে ফেলা হচ্ছে সর্বত্র। এরই মাঝে নিউ নরমাল লাইফ। শুরু হয়েছে আইপিএলও। 

দর্শক আসন শূণ্য হলেও, নেই নেই করে ভালোই ক্রু মেম্বার থাকে এক একটি ম্যাচের পেছনে। আর সেই জন্যি রাখতে হয় সতর্কতা। বলিউড অভিনেত্রী প্রীতি জিন্টা এখন ব্যস্ত তাঁর টিম নিয়ে। আর সেই জন্যই বারে বারে করোনা টেস্টের মুখে পড়তে হচ্ছে তাঁকে। পাশাপাশি বায়ো বাবল জীবন তিনি ঠিক কীভাবে উপভোগ করছেন, তাও জানিয়েছেন সাফ। কী এই বায়ো বাবেল লাইফ! নিজেই ভিডিও শেয়ার করে খোলসা করলেন প্রীতি। 

 

 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 

Everyone asks me what does it mean being in the IPL team bio bubble. Well ! It’s starts with a 6 day quarantine, covid tests every 3-4 days and no going out - only ur room, designated #KXIP restaurant & gym & of course the stadium in ur car. The drivers, chefs etc are also in the bio bubble & quarantined so No food from outside & no people interaction. It’s tough if ur a free bird like me but then it’s 2020 & one must appreciate that #IPL is actually happening in the middle of a pandemic. I must thank #BCCI, the staff of KXIP & @sofiteldubaipalm for all their efforts in keep us safe & productive 🙏 #Grateful #pzipldiaries #Ipl2020 #Dream11 #Ting ❤️ @kxipofficial

A post shared by Preity G Zinta (@realpz) on Oct 20, 2020 at 3:03am PDT

 

যখন কোনও দলকে নিয়ে যখন হাজির হতে হয়, তখন সকলকে একই সঙ্গে কাটাতে হয় ছয় দিনের কোয়ারেন্টাইল লাইফ। বায়ো বাবেলে সকলের জন্য এক সেটআপ তৈরি করা হয়, যেখানে নির্দিষ্ট জায়গা, রেস্তোরা ও জিমের ব্যবস্থা করা থাকে। তার বাইরে বেরোনো যায় না। আর তিন থেকে চার দিনের মাথায় করোনা টেস্ট হয়। এখনও পর্যন্ত ২০ বার করোনা টেস্ট হয়েছে প্রীতির।এই সময়টা মেনে চলতে হয়, নিজেদের গাড়ি, একটা নির্দিষ্ট পরিধির মধ্যেই থাকতে হয়। আর সেই জীবন বেশ উপভোগ করেন প্রীতি।