সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃত্যুর কারণ কি আত্মহত্যা। কতখানি সত্যতা আছে পুলিশের এই তথ্যে। প্রশ্ন তুলেছে নেটিজেন সহ গোটা দেশ। যত দিন যাচ্ছে ততই তাঁর মৃত্যুকে পূর্বপরিকল্পিত খুন বলে দাবি করছে ভক্তরা। প্রায় এক মাস হতে চলল সুশান্তের মৃত্যুর। তাঁর মৃত্যুর কারণ হিসাবে আত্মহত্যাকে মানতে নারাজ অভিনেতার পরিবারও। ইতিমধ্যেই পাটনাবাসী একেবারেই থেমে নেই তাদের প্রতিবাদে। ঘরের ছেলের এমন আকস্মিক মৃত্যুতে দুঃখপ্রকাশ করার পাশাপাশি তারা ক্ষোভ উগরে দিয়েছে চারিদিকে। সকাল সকাল মিছিল বের করেন পাটনার রাস্তায়। সুশান্ত সিং রাজপুত অমর থাকুক। এই স্লোগানই প্রথম কানে আসে ভাইরাল ভিডিওতে। 

আরও পড়ুনঃসুশান্তের বাবার সঙ্গে এ কেমন অমানবিকতা, ট্যুইটারে তাঁর নামে ভুয়ো অ্যাকাউন্ট, দাবি সিবিআই তদন্তের

সিবিআই তদন্ত চাই-ই চাই। তাহলে কি মুম্বই পুলিশের উপর বিন্দুমাত্র ভরসা নেই কারোরই। কেবল পাটনার রাস্তায় নয়, সোশ্যাল মিডিয়ার ফিড জুড়ে একটিই দাবি, সুশান্তের মৃত্যুর সিবিআই তদন্ত হোক। এরই মাঝে সুশান্তের ঘর থেকে পাওয়া সেই সবুজ কুর্তাটি গিয়েছে বিশেষ পরীক্ষার জন্য। পুলিশি তথ্য এবং সুশান্তের পরিচারিকার বয়ান অনুযায়ী, এই কুর্তার সাহায্যেই নাকি গলায় ফাঁস দিয়েছিলেন সুশান্ত। প্রসঙ্গত, পাটনার এই প্রতিবাদ মিছিলের একটি ভিডিও ভাইরাল হয় নেটদুনিয়ায়। 

আরও পড়ুনঃমুক্তি পাচ্ছে সুশান্তের শেষ ছবি 'দিল বেচারা'র ট্রেলার, আবেগে ভরছে সোশ্যাল মিডিয়া

अभिनेता #सुशांत_सिंह_राजपूत की मौत के मामले में सीबीआई जांच की मांग को लेकर #JusticeForSushantSinghRajput के बैनर तले पटना के गांधी मैदान स्थित गांधी मूर्ति के पास किया गया प्रदर्शन. प्रदर्शन के दौरान सलमान खान, महेश भट्ट और करण जौहर के विरोध में नारे लगे. pic.twitter.com/inZW40EoDn

— Prakash Kumar (@kumarprakash4u) July 5, 2020

 

শোনা গিয়েছে করণ জোহার, মহেশ ভাট এবং সলমন খানের বিরুদ্ধে স্লোগান। এই তিনজন ব্যক্তিকে যে এখন দেশের অধিকাংশ মানুষেরই অপছন্দ। সোশ্যাল মিডিয়ায় তাঁদের বিরুদ্ধে একের পর এক প্রতিবাদে বন্ধ হয়েছে করণ জোহারের জনপ্রিয় চ্যাট শো কফি উইথ করণ। অন্যদিকে মহেশ ভাটের পরিচালনায় আসছে সড়ক টু। এই ছবির পোস্টার মুক্তিতে আইনি বিপাকে পড়েছেন তিনি। এছাড়া ছবিটির বয়কটের দাবি তুলেছে সাইবারবাসী। এছাড়া সলমন খানের জনপ্রিয় রিয়ালিটি অনুষ্ঠান বিগ বসের একটি তালিকা মুক্তি পেতেই দর্শকরা অনুরোধ জানিয়েছে চ্যানেলের কাছে সলমন খানকে যেন সঞ্চালক হিসাবে না নেওয়া হয়।