সোনু সুদের প্রশংসার রেশ যেন থামার নামই নেয় না। একের পর এক মহান কাজ করে চলেছেন অভিনেতা। এবার সাহায্যের হাত বাড়ালেন 'মুন্না ভাই এমএমবিবিএস'-এর অভিনেতার দিকে। সুরেন্দ্র রজন ভুগছেন মারাত্মক অর্থকষ্টে। তাঁকে প্রয়োজনীয় জিনিস এবং আর্থিক সাহায্য দিলেন সোনু। আশা করি 'মুন্না ভাই এমএমবিবিএস'-এর জাদু কি ঝপ্পির দৃশ্য সকলের মনে আছে। যেখানে সঞ্জয় দত্ত হাসপাতালের একজন বয়স্ক কর্মচারীকে জড়িয়ে ধরছেন। তিনি হলেন অভিনেতা সুরেন্দ্র রজন। লকডাউনে কাজ হারিয়েছেন। এখন তাঁকে কেউ কাজে নিচ্ছেও না। 

আরও পড়ুনঃ'বাংলা সিরিয়ালগুলো হাড় মাস জ্বালিয়ে খেল', জবাবে কী লিখলেন 'ত্রিনয়নী'র খলনায়িকা জ্যাসমিন

ব্যাঙ্কে যাবতীয় টাকা সমস্ত শেষের দিকে। সোনু সময় মত এসে সাহায্য না করলে না খেতে পেয়ে হয়তো মরতে হত তাঁকে। আর রাজকুমারে সুরেন্দ্র রজনের সঙ্গে কাজ করেছিলেন সোনু। তিনি মুম্বইতে আটকে গিয়েছেন নিজের দেশ সতনাতে ফিরতে চান। সোনু সে ব্যবস্থাও করে দেবেন বলে আশ্বাস দিয়েছেন। আগামী ১৮ জুনের আগেই তাঁকে দেশের বাড়ি পৌঁছে দেবেন সোনু। প্রসঙ্গত, নিসর্গ সাইক্লোন মুম্বইতে আসার আগে ২৮০০০ হাজার মানুষের সহায়তা করেছেন অভিনেতা। খাবার এবং পুনর্বাসন দিয়ে ঘুর্ণিঝড়ের হাত থেকে রক্ষা করেন গরিব মানুষদের। সমুদ্রের ধারে কাছেই থাকত সেই সকল মানুষ। 

আরও পড়ুনঃপোস্ট লকডাউন শ্যুটিং শুরু হতেই 'নেতাজি'র চমক, মাথা কামিয়ে ট্রান্সফরমেশনের নয়া সংজ্ঞা অভিষেকের

নিসর্গের আগে যেহেতু কড়া সতর্কবার্তা দেওয়া ছিল, সমুদ্রের ধারেকাছে থাকা বিপজ্জনক হতে পারে, তাই সোনু আগে সে সকল মানুষের জন্য সাহায্যের হাত বাড়িয়েছেন যারা সমুদ্রের কাছে ঝুপড়ি বাড়িতে থাকে, যা ঝড়ে অনায়াসে হানি আনতে পারত তাদের বসতিতে। যদিও মুম্বইতে ভারি বৃষ্টিপাত ছাড়া তেমন কোনও ক্ষতি হয়নি। কেবল তাদেরই নয়, হাজার জনেরও বেশি পরিযায়ী শ্রমিককে বাড়ি ফেরানোর ব্যবস্থা রেলওয়ে স্টেশনে এসে পৌঁছে দিয়েছিলেন সোনু। মহারাষ্ট্র সরকারের সাহায্য নিয়ে মুম্বইয়ের থানে স্টেশনে এসে পৌঁছন তিনি। ট্রেনে কেবল তাদের বাড়ি পৌঁছনোর ব্যবস্থাই নয়, তাদের খাবার, স্যানিটাইজার এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় জিনিস দিয়ে সাহায্য করেন অভিনেতা। সে ছবিও ভাইরাল হয়েছিল নেটদুনিয়ায়।