জন্ম কখন হবে আমাদের হাতে, তেমন মৃত্যুও আমাদের হাতে নয়। তবে জীবনটা বাঁচতে শেখার চেষ্টাটা আমাদের করে যেতে হয়। দিল বেচারার ট্রেলার জুড়ে এই কথাটি যেন বার বার কানে বাজছে। সুশান্তের এই সংলাপ যেন দাগ কেটে গেল মনে। সত্যিই তো জন্ম আমাদের হাতে নেই। তবে মৃত্যু, পুলিশি তথ্য অনুযায়ী, তিনি নিজের মৃত্যুর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। অন্যদিকে কিছু অভিনেতা-অভিনেত্রী এবং নেটিজেনের দাবি অনুযায়ী, সুশান্তের মৃত্যুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলিউডের মাফিয়া। তবে এখন আর কোনও রাজনীতি, অরাজকতার কথা নয়, কথা হবে সুশান্তের শেষ ছবি নিয়ে। 

আরও পড়ুনঃ'সুশান্ত সিং রাজপুত অমর থাকুক', পাটনার মিছিলে সিবিআই তদন্তের স্লোগান, মুর্দাবাদে জড়িয়ে সলমন-করণ-মহে

বিশ্বাস করতে বড্ড অসুবিধা হচ্ছে, স্মার্টফোন কিংবা ল্যাপটপের পর্দায় দেখা এই মানুষটা আর নেই। ছবির নায়িকা সঞ্জনা অভিনয় করেছেন কিজি বসুর চরিত্রে। ক্যান্সারে আক্রান্ত কিজি। তাঁর জীবনে আলোর রশনাইতে ভরে তুলল ম্যানি (সুশান্ত)। অন্যের জীবনে হাসির ফোয়ারা এনে সেই কিনা এক মুহূর্তে গায়েব হয়ে গেল। এই প্রাণ জোড়ানো হাসি দেখে কে বলবে মানসিক অবসাদ ছিল তাঁর। বন্ধু সংখ্যা কম, বেশি কথা বলা পছন্দ করতে না বলেই যে কেউ মানসিক অবসাদে ভুগবে তেমনটা কিন্তু একেবারেই নয়। খুন নাকি আত্মহত্যা, এই নিয়ে লিখতে লিখতে হাত ব্যাথা হয়ে গিয়েছে সকলের। 

আরও পড়ুনঃসুশান্তের মৃত্যু মামলায় বনশালীকে জেরা, বান্দ্রা থানায় পরিচালককে দেখে উপচে পড়ে ভিড়, দেখুন ভিডিও

মৃত্যু নিয়ে কাটাছেড়াটা না হয় এখন থাক। মন ভরে দেখা যাক ছবির ট্রেলার। এমন প্রতিভা বলিউডে সত্যিই বিরল। না থেকেও প্রমাণ করে দিয়ে গেলেন সুশান্ত। হলিউড ছবি দ্যা ফল্ট ইন আওয়ার স্টারসের হিন্দি রিমেক 'দিল বেচারা'। ইংরেজি ছবিটিতে শেষে মারা যায় ছবির নায়ক। মৃত্যুর আগে জীবনকে বাঁচার সমস্ত উপায় হেজেলকে শিখিয়েছিল গাস। এখানেও কিজিকে হাসতে শেখাল ম্যানি। কিজির পাশাপাশি চোখে জল নিয়ে হাসল সুশান্তের অগণিত ভক্তরা। ট্রেলারে দেখা গিয়েছে স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায় এবং শাশ্বত চট্টোপাধ্যায়কেও।