ভাই সাজিদকে একা রেখে চিরঘুমে চলে গেলেন বিখ্যাত সুরকার ও গায়ক ওয়াজিদ খান প্রয়াত হওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই 'হুড় হুড় দাবাং' গানটি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে হাসপাতালের বিছানায় বসেই ভাই সাজিদকে উৎস্বর্গ করে এই গান গেয়েছেন তিনি  ভাইয়ের উদ্দেশ্যে গাওয়া এই গান মুহূর্তে ভাইরাল হয়েছে

ফের ইন্দ্রপতন বলিউডে। সাতসকালেই সকলকে ছেড়ে চলে গেলেন বিখ্যাত সুরকার ও গায়ক ওয়াজিদ খান। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল মাত্র ৪২ বছর। গতকাল গভীর রাতেই মুম্বইতে প্রয়াত হয়েছেন তিনি। তার এই অকাল মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে গোটা টিনসেল টাউনে।ভাইয়ের মৃত্যু কোনওভাবেই মেনে নিতে পারছেন না সাজিদ। শেষযাত্রায় কান্নায় ভেঙে পড়লেন তিনি। চোখের জলেই ওয়াজিদকে চির বিদায় জানালেন সাজিদ।মুম্বইয়ের ভারসোভা কবরস্থানে বলি অভিনেতা ইরফান খানের পাশে চিরঘুমের দেশে চলে গেলেন ওয়াজিদ।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

আরও পড়ুন-চোখের জলেই ভাইকে শেষ বিদায় সাজিদের, ইরফানের পাশে চিরনিদ্রায় ওয়াজিদ...

ভাই সাজিদকে একা রেখে চিরঘুমে চলে গেলেন বিখ্যাত সুরকার ও গায়ক ওয়াজিদ খান। বলি অভিনেতা ইরফান খান এবং ঋষি কাপুরের মৃত্যুর এক মাস কাটতে না কাটতেই মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়লেন ওয়াজিদ খান। প্রয়াত হওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই 'দাবাং' সিনেমার 'হুড় হুড় দাবাং' গানটি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। যদিও ভিডিওটি অনেকদিনের পুরোনো। শুনে নিন ওয়াজিদের গলার গানটি।

View post on Instagram

ভিডিওটিতে হাসপাতালের পোশাক পরেই ওয়াজিদকে দেখা গেছে। হাসপাতালের বিছানায় বসেই ভাই সাজিদকে উৎস্বর্গ করে এই গান গেয়েছেন তিনি। পুরোনো এই ভিডিও দেখে অনুরাগীদের চোখে জল চলে এসেছে। ভিডিওটিতে তার চেহারার মধ্যে অসুস্থতা ফুটে উঠেছে। ভাইয়ের উদ্দেশ্যে গাওয়া এই গান মুহূর্তে ভাইরাল হয়েছে। এর আগেও মিকা সিংকে পাঠানো একটি ভয়েস নোট সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছিল।বলিউডের বিখ্যাত সুরকার সাজিদ-ওয়াজিদ প্রায় দুই দশকের ও বেশি সময় ধরে একের পর এক হিট গান দর্শকদের উপহার দিয়েছেন। দীর্ঘদিন ধরেই কিডনির সমস্যায় ভুগছিলেন ওয়াজিদ। কিছুদিন আগে কিডনি প্রতিস্থাপনও করা হয়েছিল। তারপরই তার লালারস পরীক্ষা করাতে কোভিড-১৯ পজিটিভ আসে। 
এরপর থেকে শারীরিক অবস্থা আরও খারাপ হতে থাকে। অবশেষে মুম্বইয়ের চেম্বুরের সুরানা হাসপাতালে হার্ট অ্যাটাকে মারা যান তিনি। কিডনি থেকেই সংক্রমণ ছড়িয়েছিল ওয়াজিদের। চারদিন ভেন্টিলেটরে থেকেও এত রোগের ধাক্কা নিতে পারেননি ওয়াজিদ।