চলতি বছর সাধারণ বাজেটে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে কৃষক আর গ্রামগুলিকে। পঞ্জাব, হরিয়ানা, উত্তর প্রদেশের কৃষক আন্দোলনের মধ্যেই প্রধানমন্ত্রী ২০২১ সালের সাধারণ বাজেটকে প্রোঅ্যাক্টিক বাজেট বলে অভিহিত করেন। তিনি বলেন এই বাজেট কৃষকদের আয় বৃদ্ধিতে সহযোগিতা করবে। সেপ্টেম্বরে পাস হয়েছিল নতুন তিনটি কৃষি আইন। তারপর থেকে কৃষকদের মধ্যে অসন্তোষ বাড়তে শুরু করে। বর্তমানে তা আন্দোলনের আকার নিয়েছে। এই অবস্থায় সাধারণ বাজেটে স্পষ্ট হয়ে গেছে কেন্দ্রীয় সরকার এমএসপি বা নূন্যতম সহায়ক মূল্যের বিষয়ে গুরুত্ব দিচ্ছে তা স্পষ্ট হয়েছে বাজেটে। কারণ বাজেটে বলা হয়েছে উৎপাদন মূল্যের কমপেক্ষে দেড়গুণ দাম নিশ্চিত করা হবে কৃষকদের জন্য। তাতে বিশেষ পরিবর্তন আসবে বলেও আশা প্রকাশ করা হয়েছে। 


প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বলেন, বাজেটে কৃষকদের আয় বাড়ানোর দিতে জোর দেওয়া হয়েছে। আর সেই কারণে কয়েকটি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। কৃষকরা সহজেই লোন পেতে সক্ষম হবেন। কৃষি অবকাঠামো তহবিলের সাহায্যে এপিএমসি বাজারগুলিকে শক্তিশালী করা পদক্ষেপ গুরুত্বপূর্ণ বলেও দাবি করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি আরও বলেন, আজকের বাজাট ভারতের আস্থা প্রদর্শনের বাজেট। ভারতের এই বাজেট বিশ্ববাসীর কাছে আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে তুলতে সক্ষম হবে। বাজেটে আত্মনির্ভরতার পদক্ষেপ রয়েছে। সমাজের প্রতিটি স্তর এই বাজেটে উপকৃত হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। 

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী আরও বলেন, অনেকেই ভেবেছিলেন বাজেটে কর বাড়িয়ে দেওয়া সাধারণ মধ্যবিত্ত মানুষের চাপ বাড়িয়ে দেওয়া হবে। কিন্তু কেন্দ্রীয় সরকার সেইদিকে না হেঁটে স্বচ্ছ বাজেট করেছে বলেও দাবি করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন তাঁর সরকার প্রবৃদ্ধির জন্য নতুন সুযোগকে প্রশস্ত করার পাশাপাশি দেশের তরুণ সম্প্রদায়ের জন্য নতুন প্রকল্পের দিকে জোর দিয়েছে। যাতে মানব সম্পদ একটি নতুন উচ্চতায় পৌঁছে যেতে পারে। অবকাঠামোগত ও নতুন প্রযুক্তির উন্নয়ের দিকেও জোর দেওয়া হয়েছে পাশাপাশি সংস্কার আনার চেষ্টা করা হয়েছে বলেও দাবি করেন নরেন্দ্র মোদী।