কেন্দ্রীয় বাজেট ২০২১-২২'এর (Union Budget 2021-22) সঙ্গেই পেশ করা হবে রেল বাজেট ২০২২। বন্দে ভারত প্রকল্পের আওতা বাড়ানো হতে পারে। ।  

মঙ্গলবার, ১ ফেব্রুয়ারি, কেন্দ্রীয় বাজেট ২০২২ পেশ করবেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। অর্থমন্ত্রী হিসাবে চতুর্থ বাজেট করছেন নির্মলা সীতারমণ। এর একদিন আগে, অর্থাৎ, ৩১ জানুয়ারি অর্থমন্ত্রী অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২২ পেশ করেছেন। কোভিড মহামারির সময়ে ধুঁকতে থাকা ভারতীয় অর্থনীতিকে চাঙ্গা করতে সাধারণ বাজেটে কী কী ঘোষণা করা হয়, সেইদিকে চোখ রয়েছে সাধারণ মানুষের। এর পাশাপাশি পেশ হবে রেল বাজেট ২০২২-ও। সাধারণ মানুষ তাকিয়ে আছেন সেই দিকেও। এই রেল বাজেটে অনেক নতুন প্রকল্প সূচনার আশা করা হচ্ছে।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

বন্দে ভারত ট্রেন নির্মাণের ঘোষণা
গল
গত বছর স্বাধীনতা দিবসে ভাষণ দিতে গিয়ে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ভারতের ৭৫ টি শহরকে সংযুক্ত করতে নতুন বন্দে ভারত ট্রেন চালানোর কথা ঘোষণা করেছিলেন। ভারতের স্বাধীনতার অমৃত মহোৎসব উপলক্ষে এই প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছিল। এই প্রকল্পকেই আরও বৃদ্ধি করে, আরও বেশ কয়েকটি শহরকে বন্দে ভারত প্রকল্পে যুক্ত করা হবে বলে আশা করা হচ্ছে। অর্থাৎ, শতাব্দী ছাড়াও অনেক গুরুত্বপূর্ণ রুটে আন্তঃশহর ট্রেন হিসাবে বন্দে ভারত ট্রেন চালু করা হবে। আসন্ন বাজেট বছরে এলএইচবি-কোচ সহ ১০০ টি ট্রেন তৈরির লক্ষ্যও নির্ধারণ করা হতে পারে। এই এলএইচবি-কোচগুলি জার্মানিতে নকশা করা। 

মেইল-এক্সপ্রেস ট্রেন নির্মাণের ঘোষণা

অ্যালুমিনিয়াম কোচের মেল ও এক্সপ্রেস ট্রেন তৈরির ঘোষণাও হতে পারে আসন্ন বাজেটে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন যে এই ধরনের ট্রেনগুলি ওজনে হালকা হওয়ায় ঘন্টায় ১৬০ কিলোমিটার গতিতে চালানো সহজ হয়। বন্দে ভারতের ট্রেনগুলির মতোই এইগুলিও স্বয়ংক্রিয়ভাবে চলে। এছাড়াও, এই ট্রেনগুলিতে থাকে টিল্টিং প্রযুক্তি। এর কারণে, আঁকাবাঁকা রেলপথ ধরে যাওয়ার সময়ও এর গতি কমানোর দরকার পড়ে না। সাধারণ বাজেটে মেমুর জায়গায় এসি ট্রেন নির্মাণের কথাও ঘোষণা করা হতে পারে। চলার সময় এসি ট্রেনের দরজা বন্ধ থাকে বলে, এই ট্রেনগুলি অনেক বেশি নিরাপদ বলে মনে করা হয়।

নিয়োগ প্রক্রিয়া হস্তান্তর করা হতে পারে কেন্দ্রীয় সংস্থাকে

সাম্প্রতিক সময়ে, রেলে নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে তীব্র বিতর্ক হয়েছে। এই নিয়েও রেল বাজেটে বড় সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে। সূত্রের খবর, ভবিষ্যতে রেলওয়ে মন্ত্রকে সমস্ত নিয়োগের দায়িত্বও, কোনও কেন্দ্রীয় সংস্থার হাতে তুলে দেওয়া হতে পারে। তারাই নিয়োগ বিষয়ে সব সিদ্ধান্ত নেবে। এর পাশাপাশি কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী রেলকে অনেক বড় উপহার দিতে পারেন।